Finished . event 31 Mar, 2026 06:18 PM
মনেরা রাজ্যে নিউক্লিয়াসবিহীন আদি কোষী অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া থাকে।
তিনি আরএনএ-র সিকোয়েন্সের ওপর ভিত্তি করে জীবজগতকে তিনটি ডোমেইনে ভাগ করেন।
শৈবাল স্বভোজী, প্রোটোজোয়া পরভোজী এবং স্লাইম মোল্ড শোষণ পদ্ধতিতে পুষ্টি নেয়।
ছত্রাক ও প্রাণীদের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন, যা উদ্ভিদের স্টার্চ থেকে আলাদা।
ব্যাকটেরিওফাজ হলো ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী ভাইরাস, যা কোনো রাজ্যের সদস্য নয়।
লাইসোজাইম ব্যাকটেরিয়ার পেপটিডোগ্লাইক্যান স্তরকে গলিয়ে ফেলে।
পেপটিডোগ্লাইক্যান বা মিউরিন হলো সুগার এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের একটি পলিমার যা কোষকে সুরক্ষা দেয়।
F+ কোষে প্লাজমিড থাকে যা সে অন্য কোষে দান করতে পারে।
গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী বেশি হয়।
ভাইরাস এক ব্যাকটেরিয়ার জিন অন্য ব্যাকটেরিয়ায় বহন করে।
পুষ্টি কমে যাওয়ায় ব্যাকটেরিয়া আত্মরক্ষার জন্য এই সব রাসায়নিক তৈরি করে।
এদের কোষপ্রাচীর মূলত লিপোপ্রোটিন ও লিপোপলিস্যাকারাইড দিয়ে গঠিত।
দ্রুত প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য ব্যাকটেরিয়া এই গঠন ব্যবহার করে।
এখানে বিভিন্ন পাচক এনজাইম জমা থাকে।
ডিপিকোলিনিক অ্যাসিড ও ক্যালসিয়াম এদের তাপ সহ্য করার ক্ষমতা দেয়।
অক্সিজেন এদের জন্য বিষাক্ত।
দাতা ব্যাকটেরিয়ার প্লাজমিড যখন তার মূল ক্রোমোজোমে যুক্ত থাকে।
R মানে রেজিস্ট্যান্স বা প্রতিরোধ ক্ষমতা।
এতে নিয়মিত নতুন পুষ্টি যোগ করা হয় এবং বর্জ্য বের করা হয়।
ব্যাকটেরিওফাজ ভাইরাস এই চক্রগুলোর মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ নিজের ক্যাপসিডে ভরে নেয়।
আদিকোষী জীবে জটিল অঙ্গাণু অনুপস্থিত থাকে।
পেনিসিলিন মূলত এই ট্রান্সপেপটিডেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে কোষপ্রাচীর গঠন পণ্ড করে দেয়।
ori সাইট না থাকলে প্লাজমিড নিজের প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে না।
এরা সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাবার নিজে তৈরি করতে পারে।
কনজুগেশনের সময় জিন স্থানান্তরের সময়কাল মেপে জিনের অবস্থান জানা যায়।
N-অ্যাসিটাইল গ্লুকোস্যামাইন এবং N-অ্যাসিটাইল মিউরামিক অ্যাসিড।
প্লাজমিড ভেক্টরকে ব্যাকটেরিয়ায় প্রবেশ করানোর জন্য এটি প্রধান পদ্ধতি।
এটি মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়ার অস্বচ্ছতা (Turbidity) মেপে সংখ্যা নির্ধারণ করে।
দাতা কোষে ফার্টিলিটি প্লাজমিড থাকে।
১৯২৮ সালে তিনি ইঁদুরের ওপর পরীক্ষার সময় এটি দেখেন।
ফি: ফ্রি