Finished . event 31 Mar, 2026 06:16 PM
মাইকোপ্লাজমাকে একসময় PPLO নামে ডাকা হতো।
কোষপ্রাচীর না থাকায় মাইকোপ্লাজমা বিভিন্ন আকার ধারণ করতে পারে।
রিকেটসিয়া শুধুমাত্র জীবিত কোষের ভেতরেই সক্রিয় থাকে।
Mycoplasma pneumoniae মানুষের ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়।
N-acetylmuramic acid ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের একটি প্রধান অংশ।
ভাইরাস মূলত প্রোটিন আবরণী ও নিউক্লিক অ্যাসিডের একটি প্যাকেজ।
এজন্য এই রোগকে স্পঞ্জিফর্ম এনসেফালোপ্যাথি বলা হয়।
HIV একটি রেট্রোভাইরাস যা রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ এনজাইম ব্যবহার করে।
এটি একটি বিরল বংশগত রোগ যা প্রিয়ন প্রোটিনের কারণে হয়।
কোষপ্রাচীর না থাকায় এরা খুব সহজে আকার বদলাতে পারে।
ক্যাপসিড প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত যা ভাইরাসের কেন্দ্রীয় অংশকে সুরক্ষা দেয়।
আকার পরিবর্তনের ক্ষমতার জন্য এদের অণুজীব জগতের জোকার বলা হয়।
মাইকোপ্লাজমা ভাইরাসের মতো নয়, এতে উভয় ধরণের নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে।
বৃষ্টির পর মাটির যে সোঁদা গন্ধ পাওয়া যায় তা এই জিওসমিন এর কারণে হয়।
লাভার ফর্মে থাকা চিল মাইট দ্বারা রিকেটসিয়া ছড়ায়।
পেনিসিলিন কোষপ্রাচীর আক্রমণ করে, কিন্তু মাইকোপ্লাজমার কোষপ্রাচীর নেই।
লাইসোজেনিক চক্রে ভাইরাসের DNA হোস্টের ক্রোমোজোমের সাথে যুক্ত থাকে কিন্তু কোষ ফাটে না।
HIV-এর মতো রেট্রোভাইরাস এই এনজাইম ব্যবহার করে হোস্ট কোষে নিজের তথ্য কপি করে।
ইন্টারফেরন ভাইরাসের প্রতিলিপি তৈরিতে বাধা দেয় এবং পাশের কোষকে রক্ষা করে।
অধিকাংশ টি-ফাজ ভাইরাসে দ্বিসূত্রক DNA থাকে।
রেবিস ভাইরাস দেখতে অনেকটা রাইফেলের বুলেটের মতো।
কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী ভাইরাসটি একটি একসূত্রক RNA ভাইরাস।
ভাইরাস প্রথমে লাগে, তারপর ঢোকে, জিনিসপত্র বানায় এবং শেষে বেরিয়ে যায়।
দীর্ঘমেয়াদী হেপাটাইটিস সংক্রমণ যকৃতে ক্যানসার ঘটাতে পারে।
ভাইরাসকে ব্যবহার করেই উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।
ভাইরাস সিরিঞ্জের মতো তার জেনেটিক মেটেরিয়াল হোস্ট কোষে ঢুকিয়ে দেয়।
ভাইরাস অনেক সময় মানুষের কোষে এই জিন সক্রিয় করে ক্যান্সার ঘটায়।
মেরিস্টেম টিস্যুতে কোষ বিভাজন এত দ্রুত হয় যে ভাইরাস সেখানে পৌঁছাতে পারে না।
রাসায়নিক বা অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাবে নিষ্ক্রিয় ভাইরাস সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।
এটি ভাইরাসের জেনেটিক বৈচিত্র্যের একটি বিরল উদাহরণ।
ফি: ফ্রি