Finished . event 26 Feb, 2026 07:24 PM
বায়ুমন্ডলের আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমলে প্রস্বেদনের হার বৃদ্ধি পায়।
পটাশিয়াম (K+) এবং নাইট্রেট (NO3-) আয়ন সবচেয়ে দ্রুত শোষিত হয়।
ফসফরাসের অভাবে উদ্ভিদের পাতা ও ফুল অকালে ঝরে পড়ে।
নীল আলো পত্ররন্ধ্র খোলাকে সবচেয়ে বেশি উদ্দীপিত করে।
অ্যানায়নগুলোর মধ্যে নাইট্রেট (NO3-) সবচেয়ে দ্রুত শোষিত হয়।
আলোক পর্যায়ে সৌরশক্তি ব্যবহার করে ATP ও NADPH2 (আত্তীকরণ শক্তি) তৈরি হয়।
আলোক শক্তির উপস্থিতিতে ADP-এর সাথে অজৈব ফসফেট যুক্ত হয়ে ATP তৈরির প্রক্রিয়াকে ফটোফসফোরাইলেশন বলে।
উদ্ভিদের শরীর থেকে বাষ্পাকারে পানি বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়াটিই হলো প্রস্বেদন বা Transpiration।
অবাত শ্বসনে ইথাইল অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি হয়।
শ্বসনের এনজাইমগুলো মূলত সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়ায় থাকে; ক্লোরোপ্লাস্টে কেবল সালোকসংশ্লেষণ ঘটে।
রক্ষীকোষের স্ফীতি বা টারজিডিটি (Turgor pressure) পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ নিয়ন্ত্রণ করে।
অবাত শ্বসনে অক্সিজেন ছাড়া গ্লুকোজ ভেঙে ইথাইল অ্যালকোহল ও CO2 হয়।
ফার্মেন্টেশন বা গাঁজন হলো কোষের বাইরে সংঘটিত একটি অবাত শ্বসন প্রক্রিয়া।
গ্লাইকোলাইসিস শ্বসনের প্রথম পর্যায় যা উভয় প্রকার শ্বসনের জন্যই সাধারণ।
NAD-এর সাথে হাইড্রোজেন যুক্ত হয়ে NADH গঠিত হয়, যা একটি বিজারিত অবস্থা।
ইক্ষু, ভুট্টা, ঘাস ইত্যাদি উদ্ভিদ কার্বন বিজারণের C4 পথ অনুসরণ করে।
উদ্ভিদ যে পরিমাণ পানি শোষণ করে তার প্রায় ৯৯%-ই প্রস্বেদনে বের করে দেয়।
সবাত শ্বসনে এক অণু গ্লুকোজ থেকে নিট ৩৮টি ATP পাওয়া যায়।
ক্রেবস চক্র শুরু হওয়ার জন্য অ্যাসিটাইল-কোএ অপরিহার্য।
উদ্ভিদ মাটি থেকে নাইট্রেট বা অ্যামোনিয়াম হিসেবে নাইট্রোজেন শোষণ করে।
এটি সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায়ের একটি ধাপ।
C4 চক্রে প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো ৪-কার্বন বিশিষ্ট অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড।
PS-II এর রিঅ্যাকশন সেন্টারকে P680 বলা হয় কারণ এটি ৬৮০ nm আলো শোষণ করে।
একই আণবিক সংকেত বিশিষ্ট আইসোমারে রূপান্তরের জন্য আইসোমারেজ এনজাইম দায়ী।
শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়; এটি একটি অভ্যন্তরীণ প্রভাবক।
নিষ্ক্রিয় লবণ শোষণ প্রধানত ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ঘটে থাকে।
শর্করা বা মেসোফিল টিস্যুর গঠন উদ্ভিদের অভ্যন্তরীণ প্রভাবক।
C4 উদ্ভিদে CO2 গ্রহীতা হলো ৩-কার্বন বিশিষ্ট PEP।
ক্রেবস চক্রের এই ধাপে একোনাইটেজ এনজাইম কাজ করে।
ম্যাঙ্গানিজ (Mn++) এবং ক্লোরিন (Cl-) পানির ফটোলাইসিসে সাহায্য করে।
জাইমেজ এনজাইম গেঁজানো বা ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ থেকে ইথানল তৈরি করে।
গ্লাইকোলাইসিস সাইটোপ্লাজমে ঘটে কারণ এর এনজাইমগুলো সেখানেই দ্রবীভূত থাকে।
গ্লাইকোলাইসিসের ১ম ও ৩য় ধাপে ২টি ATP অণু খরচ হয়ে যায়।
ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইনের শেষ বাহক হলো সাইটোক্রোম a3, যেখান থেকে অক্সিজেন ইলেকট্রন গ্রহণ করে পানি তৈরি করে।
চক্রীয় পথে প্রতিবার ইলেকট্রন আবর্তনে ১টি ATP অণু উৎপন্ন হয়।
ফি: ফ্রি