Finished . event 09 Jan, 2026 07:00 PM
মায়োসিস-১ এর প্যাকাইটিন উপপর্যায়ে দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে জিনগত অংশের বিনিময়কে ক্রসিং ওভার বলে।
অ্যাপোপটোসিস (Apoptosis) হলো কোষের পরিকল্পিত বা জেনেটিক্যালি নিয়ন্ত্রিত মৃত্যু। অন্যদিকে পুষ্টির অভাবে কোষের মৃত্যু হলো নেক্রোসিস।
মায়োসিস-১ এ সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয় না, এটি মায়োসিস-২ এর অ্যানাফেজ-২ পর্যায়ে বিভক্ত হয়।
DNA অনুলিপন বা রেপ্লিকেশন প্রক্রিয়ায় ল্যাগিং স্ট্র্যান্ডে ছোট ছোট যে খণ্ডগুলো তৈরি হয় সেগুলোকে ওকাজাকি খণ্ড বলে।
প্যাকাইটিন উপপর্যায়ে প্রতিটি বাইভ্যালেন্ট চারটি ক্রোমাটিড নিয়ে গঠিত হয়, একে টেট্রাড বলে।
কোষ চক্রের ইন্টারফেজ দশার S (Synthesis) উপপর্যায়ে DNA রেপ্লিকেশন বা সংশ্লেষণ ঘটে।
সিস্ট্রন হলো জিনের কার্যকরী একক যা নির্দিষ্ট প্রোটিন বা পলিপেপটাইড তৈরির সংকেত বহন করে।
অ্যানাফেজ পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম দেখতে ইংরেজি 'J' অক্ষরের মতো হয়।
মেন্ডেল বংশগতির একককে 'ফ্যাক্টর' বলেছিলেন, যা পরবর্তীতে 'জিন' হিসেবে পরিচিতি পায়।
মাতৃ DNA থেকে হুবহু নতুন DNA তৈরির প্রক্রিয়াকে অনুলিপন বা রেপ্লিকেশন বলা হয়।
মেটাফেজ ধাপের শেষ পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ারের বিভাজন শুরু হয় এবং অ্যানাফেজে তা পূর্ণতা পায়।
মায়োসিস-১ এর ডায়াকাইনেসিস উপপর্যায়ে কায়াজমাগুলো প্রান্তের দিকে সরে যেতে থাকে, একে প্রান্তীয়করণ বলে।
প্রোটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াস বাদ দিলে যে অংশটি থাকে তাকে সাইটোপ্লাজম বলা হয়।
DNA-এর ছাঁচ ব্যবহার করে পরিপূরক mRNA তৈরির প্রক্রিয়া হলো ট্রান্সক্রিপশন।
পরিণত লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস না থাকায় এটি বিভাজিত হয় না।
AUG হলো শুরু কোডন (Start Codon), বাকি তিনটি হলো স্টপ কোডন।
ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে জিনের বিনিময় ঘটে, ফলে জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন বা প্রকরণ সৃষ্টি হয়।
অ্যানাফেজ পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ার বিভাজনের ফলে ক্রোমাটিডগুলো আলাদা হয়ে অপত্য ক্রোমোসোমে পরিণত হয়।
বিষাক্ত পদার্থ বা পুষ্টির অভাবে কোষের মৃত্যু হলো নেক্রোসিস, আর জেনেটিক্যালি নিয়ন্ত্রিত মৃত্যু হলো অ্যাপোপটোসিস।
জাইগোটিন উপপর্যায়ে হোমোলোগাস ক্রোমোসোমগুলোর জোড় সৃষ্টিকে বাইভ্যালেন্ট বলা হয়।
ফি: ফ্রি