Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
তুতে বা ব্লু ভিট্রিয়ল হলো কপার সালফেট পেন্টাহাইড্রেট (CuSO4·5H2O)। এটি নীল রঙের স্ফটিকাকার পদার্থ।
সবুজ ভিট্রিয়ল বা ফেরাস সালফেট হেপ্টাহাইড্রেটের রাসায়নিক সংকেত FeSO4·7H2O।
ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ জৈব সার, যার সংকেত H2N-CO-NH2।
হেবার পদ্ধতিতে নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন গ্যাসের ১:৩ অনুপাতে বিক্রিয়ায় অ্যামোনিয়া উৎপন্ন হয়, তাই হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেনের অনুপাত ৩:১।
মিথেন একটি প্রাকৃতিক গ্যাস, এর স্ফুটনাঙ্ক প্রায় -১৬২°C।
ভিনেগার হলো এসিটিক এসিডের (CH3COOH) ৪-৬% জলীয় দ্রবণ।
শুকনো বরফ হলো কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড, যা তাপ পেলে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়।
ইথার যৌগের কার্যকরী মূলক হলো -O- বা C-O-C মূলক।
মাটিতে এনজাইমের প্রভাবে ইউরিয়া ভেঙে অ্যামোনিয়াম (NH4⁺) আয়ন তৈরি করে, যা উদ্ভিদ গ্রহণ করে।
এস্টারের সাধারণ সংকেত R-COOR' এবং এর কার্যকরী মূলক হলো -COOR।
ন্যাপথালিন একটি অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন কারণ এতে বেঞ্জিন বলয় বিদ্যমান।
বেঞ্জিনের আণবিক সংকেত C6H6, যা একটি ষড়ভুজাকার বলয় গঠন করে।
অ্যালকিন বা অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনগুলোর দ্বিবন্ধন ভেঙে পলিমারকরণ বিক্রিয়া ঘটে।
ব্লিচিং পাউডার বা Ca(OCl)Cl রঙিন পদার্থকে বর্ণহীন করতে ব্যবহৃত হয়।
বিশুদ্ধ এসিটিক এসিডকে গ্লেসিয়াল এসিটিক এসিড বলে, যা শীতকালে বরফের মতো জমে যায়।
পামিটক এসিড একটি সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড যার সংকেত C15H31COOH।
নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) কে লাফিং গ্যাস বলা হয়।
অ্যালকোহলের সাধারণ সংকেত হলো CnH2n+1OH।
সিলিকন একটি সেমিকন্ডাক্টর যা ট্রানজিস্টর ও মাইক্রোচিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
কার্বনের রূপভেদ গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে।
ভিনেগার তৈরির মূল উপাদান এসিটিক এসিড।
সাবান তৈরির প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।
প্রাকৃতিক গ্যাসে প্রায় ৮০-৯০% মিথেন থাকে।
কার্বন ডাই-অক্সাইড চুনের পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম কার্বনেট তৈরি করে, যা পানিকে ঘোলা করে।
কার্বনিল মূলক হলো >C=O, যা অ্যালডিহাইড ও কিটোনের প্রধান অংশ।
ইথিলিন (C2H4) একটি অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন কারণ এতে দ্বিবন্ধন বিদ্যমান।
অ্যালকাইন (ত্রিবন্ধনযুক্ত হাইড্রোকার্বন) এর সাধারণ সংকেত CnH2n-2।
ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম এসকরবিক এসিড।
সালফিউরিক এসিডকে শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহারের কারণে 'রসায়নের রাজা' বলা হয়।
তেল ও চর্বি হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলের এস্টার।
লোহিত ফসফরাস নিরাপদ, তাই এটি দিয়াশলাই তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
নিরাপদ দিয়াশলাইয়ের কাটিতে লোহিত ফসফরাস ব্যবহৃত হয়।
সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বা NaHCO3-কে বেকিং পাউডার বা খাওয়ার সোডা বলা হয়।
বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৭৮% নাইট্রোজেন।
কাঁদামাটি বা ক্লে-তে অ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে।
অধাতু অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অধাতব অক্সাইড গঠন করে।
কার্বোনেটেড পানীয় বা কোকাকোলাতে CO2 গ্যাস উচ্চ চাপে দ্রবীভূত করা হয়।
সিলিকন একটি চমৎকার অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর।
হীরা, গ্রাফাইট ও ফুলারিন কার্বনের রূপভেদ, কিন্তু সিলিকন আলাদা মৌল।
কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল বালু, সোডা অ্যাশ ও চুনাপাথর।
তেল ও চর্বি হলো গ্লিসারল এবং ফ্যাটি এসিডের এস্টার।
নাইট্রোজেন অণুতে দুটি নাইট্রোজেন পরমাণু ত্রিবন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে।
পামিটক এসিড একটি উচ্চতর ফ্যাটি এসিড যা চর্বি থেকে পাওয়া যায়।
সালফার খনিজ অবস্থায় বা মুক্ত অবস্থায় মাটির অনেক গভীরে পাওয়া যায়।
বিশুদ্ধ এসিটিক এসিডকে গ্লেসিয়াল এসিটিক এসিড বলা হয়।
পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় ছোট অণু যুক্ত হয়ে বৃহৎ শিকল তৈরি করে।
বালুর প্রধান উপাদান হলো সিলিকা (SiO2)।
অ্যালকোহল একটি উত্তম জৈব দ্রাবক যা অনেক জৈব পদার্থ দ্রবীভূত করে।
সব ধাতু পানির সাথে সাধারণ তাপমাত্রায় বিক্রিয়া করে না।
নাইলন একটি কৃত্রিম পলিমার যা আঁশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে যেখানে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। প্রোটন ধনাত্মক এবং নিউট্রন আধানহীন।
মেন্ডেলিফের পর্যায় সারণি ভরের ওপর ভিত্তি করে হলেও, আধুনিক পর্যায় সারণি পারমাণবিক সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে সাজানো।
ধাতু (Na) ও অধাতুর (Cl) মধ্যে ইলেকট্রন আদান-প্রদানের ফলে সৃষ্ট বন্ধন হলো আয়নিক বন্ধন।
প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০°C।
ব্রনস্টেড-লাউরি মতানুসারে, এসিড হলো প্রোটন দাতা এবং ক্ষার হলো প্রোটন গ্রহীতা।
বেনজিন একটি অ্যারোমেটিক যৌগ যার সংকেত C6H6।
হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১, তাই এটি সবচেয়ে হালকা মৌল।
আয়রন বা লোহার সাথে পানি ও অক্সিজেনের বিক্রিয়ায় ফেরিক অক্সাইড বা জং তৈরি হয়।
ফ্লোরিন পর্যায় সারণির সবচেয়ে বেশি তড়িৎ ঋণাত্মক ও সক্রিয় অধাতু।
মিথাইল অ্যালকোহল বা মিথানল হলো CH3OH।
ইথানল হলো সাধারণ অ্যালকোহল বা স্পিরিট যার সংকেত C2H5OH।
ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা।
রক্তের হিমোগ্লোবিনে আয়রন (Fe) প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে।
চুনাপাথর বা মার্বেল পাথরের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3)।
ইথিন (C2H4) এর পলিমারকরণে পলিথিন উৎপন্ন হয়।
প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া সবচেয়ে ভারী মৌল হলো ইউরেনিয়াম (U)।
নমুনা সংরক্ষণে ব্যবহৃত ফর্মালিন হলো মিথানল বা ফর্মালডিহাইডের দ্রবণ।
আইসোটোপ হলো একই মৌলের পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন।
কার্বনের বাইরের স্তরে ৪টি ইলেকট্রন থাকে, তাই এর যোজনী ৪।
হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি ১৮ নম্বর গ্রুপের নিষ্ক্রিয় গ্যাস।
সালফিউরিক এসিড হলো H2SO4, যা শক্তিশালী খনিজ এসিড।
মিথেন (CH4) হলো সবচেয়ে সহজ হাইড্রোকার্বন।
মরিচা হলো আর্দ্র ফেরিক অক্সাইড।
গ্লুকোজ হলো একটি সরল শর্করা যার সংকেত C6H12O6।
স্টার্চ বা সেলুলোজ হলো জটিল বা পলি স্যাকারাইড শর্করা।
NaCl এর অণুগুলো ঘনকাকার স্ফটিক গঠন করে।
সাবান হলো দীর্ঘ শিকলবিশিষ্ট ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
ইথাইন (C2H2) এর প্রচলিত নাম অ্যাসিটিলিন, যা ঝালাই কাজে ব্যবহৃত হয়।
নিউট্রন হলো চার্জবিহীন বা নিরপেক্ষ কণা।
সোডিয়াম অত্যন্ত সক্রিয় ক্ষার ধাতু, যা বাতাসের সংস্পর্শে বিক্রিয়া করে।
কার্বন মনোক্সাইড বাতাসের উপস্থিতিতে জ্বললে নীল শিখা তৈরি করে।
হাইড্রোক্সিল মূলক (-OH) অ্যালকোহলের কার্যকরী মূলক।
ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরিমাপ করা হয়।
বাতাসে প্রায় ৭৮% নাইট্রোজেন এবং ২১% অক্সিজেন থাকে।
দুধের শর্করা ল্যাকটোজ থেকে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়।
প্রোটন ও নিউট্রনের ভর প্রায় সমান (১ amu)।
পানির অণুতে অক্সিজেনের সাথে হাইড্রোজেন কৌণিকভাবে যুক্ত থাকে।
লেবুজাতীয় ফলে প্রচুর ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
১৭ নম্বর গ্রুপের মৌলগুলো (F, Cl, Br, I) হ্যালোজেন নামে পরিচিত।
অক্সিজেন লোহার সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা তৈরি করে।
ক্যালসিয়াম সালফেট হেমিহাইড্রেটকে প্লাস্টার অফ প্যারিস বলে।
এস্টার যৌগের সাধারণত মিষ্টি ফলের মতো সুগন্ধ থাকে।
পটাশিয়াম ও সোডিয়াম পানির সাথে প্রচণ্ড বিক্রিয়া করে।
অ্যামিনো এসিডের পলিমার হলো প্রোটিন।
টাংস্টেন ধাতুর গলনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি, তাই এটি বাল্বের ফিলামেন্টে ব্যবহৃত হয়।
এসিড ও ক্ষার মিলে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
পরমাণুর কেন্দ্রবিন্দুতে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে যাকে নিউক্লিয়াস বলে।
বিশুদ্ধ পানির pH ৭, অর্থাৎ এটি নিরপেক্ষ।
অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন ব্রোমিন পানির লাল বর্ণকে বর্ণহীন করে।
ফি: ফ্রি