Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
‘রাবণের চিতা’ অর্থ চির অশান্তি বা সবসময় যা জ্বলে। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১২) এসেছে.
যারা বাইরের জৌলুস বা ঠাট বজায় রেখে চলে, তাদের ‘লেফাফাদুরস্ত’ বলা হয়.
‘ইন্দ্রের অন্নদা’ অর্থ স্বর্গের সুন্দরী রমণী। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৩) এসেছে.
‘কংস মামা’ বলতে নিষ্ঠুর বা নির্মম আত্মীয়কে বোঝায়। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৩, ২০১৪) এসেছে.
‘তাসের ঘর’ অর্থ যা সহজেই ভেঙে যায় বা ক্ষণস্থায়ী। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৩, ২০১৪) এসেছে.
‘গোঁফ খেজুরে’ অর্থ অত্যন্ত অলস ব্যক্তি। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৪) এসেছে.
অতিরিক্ত অহংকার বা গর্বে আনন্দিত হওয়াকে ‘হাতির পাঁচ পা দেখা’ বলে.
‘আমড়াগাছি করা’ অর্থ তোষামোদ করা বা তেল দেওয়া.
প্রায় সম্পূর্ণ কোনো কাজকে বোঝাতে ‘উনকোটি চৌষট্টি’ বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়.
যাঁর বুদ্ধির অভাব আছে বা যিনি নির্বোধ, তাঁকে ‘বুদ্ধির ঢেঁকি’ বলা হয়.
যখন সব দিকেই খারাপ লোক বা ঠক বেশি থাকে, তখন বলা হয় ‘ঠক বাছতে গাঁ উজাড়’.
যার কোনো দাম বা মূল্য নেই, তাকে ‘ঢাকের বাঁয়া’ বলা হয়.
‘তুর্কি নাচন’ অর্থ নাজেহাল বা নাস্তানাবুদ অবস্থা.
সামান্য সম্পদ পেয়ে যখন কেউ বেশি অহংকার করে, তখন তাকে ‘ব্যাঙের আধুলি’ বলে.
নিজের কোনো ক্ষমতা নেই কিন্তু অনেক বড়াই করে—এমন ব্যক্তিকে ‘বিষ নেই তার কুলোপনা চক্কর’ বলা হয়.
মরণ বা বমি করার ইচ্ছাকে বলা হয় 'বিবমিষা'। অপচিকীর্ষা হলো অপকার করার ইচ্ছা, জিঘাংসা হলো হনন করার বা মারার ইচ্ছা, এবং জুগুপ্সা হলো গোপন করার ইচ্ছা। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১২) এসেছে।
পাখির ডাককে এককথায় বলা হয় 'কূজন'। 'কেকা' হলো ময়ূরের ডাক, 'হেসা' হলো ঘোড়ার ডাক। মেধা ঘর এর নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি সহজ প্রশ্ন।
ময়ূরের ডাককে এককথায় বলা হয় 'কেকা'। কুহু হলো কোকিলের ডাক। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৩) এসেছে।
মুক্তি লাভের ইচ্ছাকে বলা হয় 'মুমুক্ষা'। যে ব্যক্তি মুক্তি লাভ করতে চায় তাকে বলা হয় 'মুমুক্ষু'। মুমূর্ষা হলো মরণদশা বা মরার ইচ্ছা।
যা চিবিয়ে খেতে হয় তাকে 'চর্ব' বলে। যা চেটে খেতে হয় তা 'লেহ্য', যা চুষে খেতে হয় তা 'চোষ্য', আর যা পান করতে হয় তা 'পেয়'।
যা সহজে দমন করা যায় না তা 'দুর্দমনীয়', আর যা একেবারেই দমন করা যায় না তাকে বলা হয় 'দুর্দম'।
যে কেবল নিজেকে বা আপন সত্তাকে কেন্দ্র করে থাকে তাকে বলা হয় 'আত্মকেন্দ্রিক'। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১০) এসেছে।
ইতিহাসের আগের সময়কালকে বলা হয় 'প্রাগৈতিহাসিক'। এটি একটি পারিভাষিক শব্দ যা ইতিহাসের লিখিত দলিলের আগের সময়কে নির্দেশ করে।
যাঁর বুদ্ধি দ্রুত কাজ করে তাকে 'প্রত্যুৎপন্নমতি' বলে। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৮) এসেছে।
যা নিবারণ করা বা ঠেকানো যায় না তাকে 'অনিবার্য' বলে। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৮) এসেছে।
যে ব্যক্তি আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করে তাকে 'অমিতব্যয়ী' বলে। বিপরীত অর্থে মিতব্যয়ী হলো যে কম ব্যয় করে। এটি ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৪) এসেছে।
এক থেকে শুরু করে ক্রম বজায় রেখে চললে তাকে একাধক্রমে বলা হয়।
একই সময়ে যা ঘটে তা যুগপৎ বা সমসাময়িক হলেও, পারিভাষিক শব্দে 'যুগপৎ' হলো একই সময়ে ঘটা কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
যে কর্মী সব সময় কর্মে মগ্ন থাকে এবং ক্লান্ত হয় না, তাকে অক্লান্তকর্মী বলে।
যা বর্ণনা করা বা বলা যায় না তাকে অবর্ণনীয় বা অনির্বচনীয় বলে।
জানার ইচ্ছাকে 'জিজ্ঞাসা' বলা হয়। আর যিনি জানতে চান তিনি জিজ্ঞাসু।
জয়ে বা জয়ের আনন্দে যে অস্থির বা উন্মত্ত তাকে জয়োন্মত্ত বলা হয়।
যার মনোযোগ অন্য কোথাও না থেকে এক বিষয়েই নিবদ্ধ, তাকে একাগ্রচিত্ত বলে।
যিনি পায়ে হেঁটে যান না, তাকে পদগ বলা হয়। এটি পদব্রজের বিপরীত বা আলাদা অর্থ বহন করে।
অনুসরণ করার ইচ্ছাকে অনুচিকীর্ষা বলে। মেধা ঘর এর সহায়তায় এটি নির্ভুলভাবে মনে রাখা জরুরি।
ফি: ফ্রি