Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
ব্যাকরণ অনুযায়ী বিরাম চিহ্নকে 'ছেদ চিহ্ন' বলা হয়। বাক্যের অর্থ সুস্পষ্ট করতে এবং বাক্যের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিরতি নেওয়ার জন্য আমরা যেসব চিহ্ন ব্যবহার করি, সেগুলোই ছেদ বা বিরাম চিহ্ন।
কাউকে সম্বোধন বা ডাক দেওয়ার সময় নামের পরেই কমা (,) চিহ্ন বসে। যেমন— 'রহিম, এদিকে এসো।' এটি যতিচিহ্নের একটি প্রাথমিক নিয়ম।
বাক্যে যখন একই ধরণের অনেকগুলো পদ বা শব্দ পাশাপাশি থাকে, তখন তাদের আলাদা করার জন্য কমা (,) ব্যবহার করা হয়। যেমন— 'আম, জাম, কাঁঠাল আমি পছন্দ করি।'
বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ি (|) বলে। এটিই বাক্যের পূর্ণ বিরতি নির্দেশ করে।
বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই বাংলা ভাষায় বিরাম বা যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার ও প্রচলন শুরু করেন। এটি বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষায় এসেছে।
বাক্যের শেষে যে বিরাম চিহ্ন বসে, তাকে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বলে। দাঁড়ি, প্রশ্নচিহ্ন (?) এবং বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) হলো প্রধান প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন।
যখন দুটি শব্দকে একত্রে সমাসবদ্ধ করা হয় এবং তাদের আলাদা করে স্পষ্টভাবে বোঝানোর প্রয়োজন হয়, তখন মাঝখানে হাইফেন (-) ব্যবহার করা হয়। যেমন— মা-বাবা।
শব্দের মাঝখান থেকে কোনো বর্ণ লোপ পেলে সেই খালি জায়গায় যে চিহ্ন বসে তাকে ইলেকট্রিক বা লোপ চিহ্ন (’) বলে।
ইলেক বা লোপ চিহ্ন মূলত বর্ণ লুপ্ত হওয়া নির্দেশ করে, তাই এটি ব্যবহারের সময় থামা বা বিরতির প্রয়োজন হয় না।
উদ্ধৃতি চিহ্ন দুই প্রকার— একক উদ্ধৃতি চিহ্ন (‘ ’) এবং দ্বৈত উদ্ধৃতি চিহ্ন (“ ”)।
শুদ্ধ বানান হলো 'নিশীথিনী'। বানানের নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার ও হ্রস্ব ই-কার ব্যবহারের সঠিকতা বজায় রাখতে হয়।
শুদ্ধ বানানটি হলো 'মুহূর্ত'। এটি একটি অতি পরিচিত শব্দ যা সঠিক বানানে লিখতে হয়।
শুদ্ধ বানানটি হলো 'মুমূর্ষু'। বানানের নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার ও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
সঠিক বানানটি হলো 'পিপীলিকা'। বানানের গঠনে দীর্ঘ ঈ-কার ও হ্রস্ব ই-কারের সঠিক ব্যবহার এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
শুদ্ধ বানান হলো 'বিভীষিকা'। বাংলা বানানের শুদ্ধতা বজায় রাখতে দীর্ঘ ঈ-কারের স্থান সম্পর্কে সচেতন থাকতে হয়।
শুদ্ধ বানান হলো 'সুশ্রুষা'। এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বানানের বক্রতা ও দীর্ঘ ঈ-কার খেয়াল রাখতে হয়।
শুদ্ধ বানানটি হলো 'প্রণয়ন'। সংস্কৃত শব্দে 'ণ' এর ব্যবহার এখানে প্রযোজ্য।
শুদ্ধ বানান হলো 'পূজারী'। বানান শুদ্ধি পরীক্ষায় এই ধরণের শব্দ প্রায়শই থাকে।
শুদ্ধ বানান হলো 'মরীচিকা'। দীর্ঘ ঈ-কার দিয়ে এই শব্দটি লিখতে হয়।
শুদ্ধ বানান হলো 'আশীষ'। তালব্য 'শ' এবং দীর্ঘ ঈ-কারের ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
ফি: ফ্রি