Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
ব্যাখ্যা: 'অজ্ঞান' শব্দটিতে 'অ' একটি উপসর্গ যা 'জ্ঞান' শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করেছে। উপসর্গ সাধারণত শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে।
ব্যাখ্যা: 'উপ' উপসর্গটি প্রায়শই সাদৃশ্য বা ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: উপগ্রহ (গ্রহের সদৃশ), উপবন (বনের সদৃশ বা ছোট বন)।
ব্যাখ্যা: 'বি' উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। শব্দের প্রয়োগভেদে এটি বিশেষ বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে থাকে।
ব্যাখ্যা: 'অন' উপসর্গটি মূলত অভাব বা না বোধক অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: অনাবৃষ্টি (বৃষ্টির অভাব)।
ব্যাখ্যা: 'সুনিপুণ' শব্দটিতে 'সু' হলো একটি উপসর্গ যা 'নিপুণ' শব্দের সাথে যুক্ত হয়েছে। অন্যগুলো মূল শব্দ বা অন্য প্রকৃতির শব্দ।
ব্যাখ্যা: 'কারাগার' শব্দটিতে 'কারা' শব্দটি বিদেশি (ফারসি) উৎস থেকে আগত, যা এখানে উপসর্গ হিসেবে কাজ করছে।
ব্যাখ্যা: 'বদ' একটি আরবি বা ফারসি উৎসজাত বিদেশি উপসর্গ। বাংলায় এটি খারাপ বা মন্দ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: 'আ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ (যেমন: আকাশ, আকাঠা)। 'প্র' সংস্কৃত উপসর্গ এবং 'ইতি' বা 'ত্রি' অন্য প্রকৃতির।
ব্যাখ্যা: 'শুন্য' একটি মূল শব্দ বা বিশেষ্য/বিশেষণ। বাকি তিনটি (নি, বি, প্রতি) বাংলা বা সংস্কৃত ব্যাকরণে উপসর্গ হিসেবে স্বীকৃত।
ব্যাখ্যা: এখানে শক্তির বিভিন্ন প্রয়োগের ভিত্তিতে উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়, যা শব্দের মূল অর্থের সাথে নতুন মাত্রা যোগ করে।
ব্যাখ্যা: 'আ' বাংলা উপসর্গের তালিকার একটি প্রধান উপসর্গ। অন্যগুলো মূল শব্দ বা বর্ণ মাত্র।
ব্যাখ্যা: 'নি' উপসর্গটি অনেক সময় 'অভাব' বা 'নাই' অর্থে বসে। যেমন: নিরেট (যার অভাব আছে)।
ব্যাখ্যা: যা নিয়মের বাইরে গঠিত হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে। 'নিঃশেষ' তেমনি একটি শব্দ।
ফি: ফ্রি