Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনের ফলে উচ্চারণে যে স্বাচ্ছন্দ্য ও মাধুর্য তৈরি হয় তা নিশ্চিত করা। মেধা ঘর-এর রেফারেন্সে মনে রাখবে, সন্ধি মানেই শ্রুতিমধুরতা।
ই-কারান্ত শব্দের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে 'য' হয়। তাই 'ইতি' এর 'ই' ও 'আদি' এর 'আ' মিলে 'য' যুক্ত হয়েছে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি। (ভর্তি পরীক্ষা-২০২৩)
নিয়ম হলো: পরি + ইক্ষা = পরীক্ষা। এখানে রস্ব ই এবং রস্ব ই মিলে দীর্ঘ ঈ-কার তৈরি করেছে। মেধা ঘর-এর টিপস অনুযায়ী সবসময় বানান মনে রাখবে। (ভর্তি পরীক্ষা-২০১৪ কৃষি)
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী 'সম' উপসর্গ যোগে অনেক শব্দ গঠিত হয়। এখানে 'ম' ধ্বনিটি ব-এর প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'সং' বা 'স' রূপ নিয়েছে। (ভর্তি পরীক্ষা-২০১৩, ১৪ কৃষি)
এটি ই-কারান্ত সন্ধির একটি সুন্দর উদাহরণ। পরি + আপ্ত = পর্যাপ্ত। এখানে ‘ই’ এবং ‘আ’ এর মিলন ঘটেছে। (ভর্তি পরীক্ষা-২০১১)
শতক শব্দটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত। এটি মৌলিক শব্দ গঠনের একটি কৌশল যা ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তনের মাধ্যমে হয়।
অ + ই = এ। এই নিয়মে শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা। এটি স্বরসন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম যা মেধা ঘর-এর পাঠ্যবই অনুসরণ করে।
উ + আ মিলে 'ব' ফলা বা 'বা' হয়। তাই সু + আগত = স্বাগত। এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সন্ধি যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
স্ব (নিজ) + অধীন = স্বাধীন। এখানে অ + অ মিলে আ হয়েছে (দীর্ঘিভবন)।
ক, চ, ট, ত, প-এর পর স্বরধ্বনি থাকলে তা গ, জ, ড, দ, ব হয়। তাই বাক + আড়ম্বর = বাগাড়ম্বর।
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে 'ম'-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে ম-এর পরিবর্তে অনুস্বার বা ম-ই থাকে। সম্ + বাদ = সংবাদ।
ত-এর পর 'শ' থাকলে ত-এর স্থানে 'চ' এবং শ-এর স্থানে 'ছ' হয়। তাই উত + শ্বাস = উচ্ছ্বাস।
এটি বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। এখানে বিসর্গটি 'ও' কারে পরিণত হয়েছে।
বিসর্গের পর 'প' থাকলে বিসর্গটি 'ষ' হয়। তাই চতুঃ + পদ = চতুষ্পদ।
এটি বিসর্গ সন্ধি। বিসর্গের পর য থাকলে বিসর্গ 'র' হয় বা বিসর্গ রেফ রূপে বসে। দুঃ + যোগ = দুর্যোগ।
নিয়ম অনুযায়ী, আ + চর্য বা অতি + চর্য এর মিলনে আশ্চর্যের সৃষ্টি হয়। এটি একটি বিশেষ নিয়ম।
গবেষণা শব্দটি বিশেষ নিয়ম বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত। এটি বারবার পরীক্ষায় আসে, তাই ভালোভাবে মনে রাখবে। (ভর্তি পরীক্ষা-২০১৪)
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। মনস + ইষা = মণীষা। মেধা ঘর-এর নোটবুক অনুযায়ী এটি মুখস্থ রাখা ভালো। (ভর্তি পরীক্ষা-২০১১)
বিসর্গ সন্ধির নিয়ম: বিসর্গের পর চ থাকলে বিসর্গ 'শ' হয়। তাই দুঃ + চার = দুশ্চর। (ভর্তি পরীক্ষা-২০১২)
ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম অনুসরণ না করে যে সন্ধি হয়, তাকে 'নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি' বলে। যেমন: গবাক্ষ, কুলটা।
গবাক্ষ (গো + অক্ষ) শব্দটিতে সাধারণ সন্ধির নিয়ম খাটে না, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ। মেধা ঘর-এ এই ধরনের শব্দগুলোর তালিকা দেওয়া আছে।
কুলটা একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি যা সাধারণ ব্যাকরণিক নিয়ম মানে না।
এটি পূর্বের উত্তরের ন্যায়, গবাক্ষ শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ হওয়ার কারণেই এটি সন্ধির সাধারণ নিয়মের বাইরে।
ক্ষুধা + আর্ত = ক্ষুধার্ত। এখানে 'আ' এবং 'আ' মিলে দীর্ঘ 'আ' হয়েছে। এটি স্বরসন্ধির নিয়ম।
গৈ + অক = গায়ক। এটি আয়াদি সন্ধির উদাহরণ। মেধা ঘর-এর রেফারেন্সে মনে রাখবে গৈ-এর সাথে অক যুক্ত হলে গায়ক হয়।
ফি: ফ্রি