Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
যে সর্বনাম পদ ব্যক্তিবিশেষের নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাকে ব্যক্তিবাচক সর্বনাম বলে। ‘আমি’, ‘আমরা’ বক্তা বা উত্তম পুরুষবাচক ব্যক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয় বলে এগুলো ব্যক্তিবাচক সর্বনাম।
‘লা’ একটি আরবি উপসর্গ যা অব্যয় হিসেবে গণ্য হয়। সাধারণত বিশেষ্য বা বিশেষণের আগে বসে এটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
ব্যাকরণ অনুযায়ী, বিভক্তিহীন শব্দ বা ধাতুকে প্রাতিপদিক বলা হয়। কিন্তু যখনই কোনো শব্দ বা ধাতুর সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়, তখনই তা বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী ‘পদ’-এ পরিণত হয়।
এখানে প্রশ্নের অপশনগুলোতে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও, ‘সৈকত’ নিজে একটি বিশেষ্য এবং বিশেষণ হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। সঠিক রূপটি প্রসঙ্গের ওপর নির্ভরশীল।
‘সর্বজন’ থেকে ‘সর্বজনীন’ গঠিত হয়েছে। সর্বজনীন বলতে যা সকলের জন্য বা সবকিছুর জন্য প্রযোজ্য বোঝায়। এটি একটি বিশেষণ পদ।
‘মেদলা’ শব্দটির অর্থ মেদবহুল বা চর্বিযুক্ত। কোনো কিছুর গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে বলে এটি বিশেষণ পদ।
অনুজ্ঞা মানে আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ বা প্রার্থনা। ‘আবার তোরা মানুষ হ’—এখানে উপদেশের সুর রয়েছে, তাই এটি অনুজ্ঞাসূচক বাক্য।
যেসব অব্যয় বাক্যের অন্য কোনো পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনের ভাব (যেমন—আবেগ, বিস্ময়) প্রকাশ করে, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে। ‘মরি মরি’ বিস্ময়সূচক হওয়ায় এটি অনন্বয়ী অব্যয়।
যে ক্রিয়া দিয়ে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ থাকে এবং আরও কিছু শোনার আকাঙ্ক্ষা থেকে যায়, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। এখানে ‘উঠলে’ দিয়ে কাজ শেষ হয়নি, তাই এটি অসমাপিকা ক্রিয়া।
ফি: ফ্রি