Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
সিনেবার (Cinnabar) হলো পারদ বা মার্কারির প্রধান খনিজ আকরিক। এর রাসায়নিক সংকেত HgS (মার্কারি সালফাইড)।
অ্যালুমিনিয়াম একটি হালকা ও তুলনামূলক কম গলনাঙ্কের ধাতু। এর বিশুদ্ধ অবস্থার গলনাঙ্ক প্রায় ৬৬০.৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে এর আকরিক অ্যালুমিনা (Al₂O₃) এর গলনাঙ্ক প্রায় ২০৫০ °C।
পরমাণু যখন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত আয়নে পরিণত হয়, তখন তাকে অ্যানায়ন (Anion) বলে। যেমন: Cl⁻। অন্যদিকে ধনাত্মক চার্জযুক্ত আয়নকে ক্যাটায়ন বলে।
তড়িৎ বিশ্লেষণ কোষে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত তড়িৎদ্বারকে ক্যাটায়ন আকর্ষণকারী বা ক্যাথোড বলা হয়। তাই ক্যাথোড হলো ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার।
अंतरর্জাতিক একক পদ্ধতি (SI) অনুযায়ী বৈদ্যুতিক প্রবাহ বা বিদ্যুৎ প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার (Ampere)।
বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে (Michael Faraday) ১৮৩৪ সালে তড়িৎ বিশ্লেষণের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র আবিষ্কার করেন, যা ফ্যারাডের তড়িৎ বিশ্লেষণের সূত্র নামে পরিচিত।
বর্তনীতে বৈদ্যুতিক প্রবাহ বা বিদ্যুৎ প্রবাহ সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করার জন্য অ্যামিটার (Ammeter) ব্যবহার করা হয়। বিভব পার্থক্য মাপতে ভোল্টমিটার ব্যবহার করা হয়।
ক্যালসিয়াম অক্সাইড ($\text{CaO}$) কে বাণিজ্যিকভাবে বা সাধারণভাবে কুইক লাইম (Quicklime) বা পোড়াচুন বলা হয়।
তুঁতে হলো ব্লু ভিট্রিয়ল বা কপার সালফেট পেন্টাহাইড্রেটের বাংলা নাম। এর রাসায়নিক সংকেত $\text{CuSO}_4 \cdot 5\text{H}_2\text{O}$।
সমগ্র বিশ্বে উৎপাদিত এবং ব্যবহৃত মোট ধাতুর ওজনের দিক থেকে লোহা বা আয়রন (Iron) সবচেয়ে শীর্ষে রয়েছে। এর সস্তাতা এবং উচ্চ কার্যকারিতার জন্য এটি সর্বাধিক ব্যবহৃত ধাতু।
ফেরাস সালফেট কেলাসিত অবস্থায় ($\text{FeSO}_4 \cdot 7\text{H}_2\text{O}$) হালকা সবুজ বর্ণের হয়ে থাকে। তাই একে সবুজ ভিট্রিয়লও বলা হয়।
বিশুদ্ধ সোনা (২৪ ক্যারেট) অত্যন্ত নরম হওয়ায় তা দিয়ে টেকসই গহনা তৈরি করা যায় না। সোনার সাথে তামা বা অন্যান্য ধাতু মেশালে তা শক্ত হয়। ক্যারেটের মান যত কম হয়, তাতে অন্য ধাতুর মিশ্রণ তত বেশি থাকে এবং ধাতুটি তত বেশি দৃঢ় বা শক্ত হয়। তাই ১৮ ক্যারেট সোনা অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দৃঢ়।
ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজ (Activity Series) অনুযায়ী জিংক (Zn) এর অবস্থান আয়রন (Fe), লেড (Pb) এবং কপার (Cu) এর উপরে। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে জিংকের সক্রিয়তা সবচেয়ে বেশি।
কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো একটি মিশ্র ধাতু। সাধারণত কাঁসাতে প্রায় ৯০% কপার (তামা) এবং প্রায় ১০% টিন (Sn) মিশ্রিত থাকে।
ডুরালুমিন একটি অতি হালকা ও শক্ত মিশ্র ধাতু, যা প্রধানত উড়োজাহাজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান উপাদান হলো অ্যালুমিনিয়াম (প্রায় ৯৫%)। এছাড়া এতে তামা (৪%), ম্যাঙ্গানিজ (০.৫%) ও ম্যাগনেসিয়াম (০.5%) থাকে।
পেন্সিলের লেখার সিস (Lead) তৈরি করা হয় গ্রافাইট গুঁড়োর সাথে নরম কাদামাটি (Clay) এবং পানি মিশিয়ে শক্ত করে পুড়িয়ে। কাদামাটির পরিমাণের ওপর পেন্সিলের সিসের শক্ত বা নরম হওয়ার মাত্রা (যেমন: HB, 2B) নির্ভর করে। ছবিতে ফসফরাসে দাগ দেওয়া আছে যা ভুল, সঠিক উত্তর কাদামাটি।
সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামালগুলোর মধ্যে চুন বা ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO), সিলিকা (SiO₂) এবং অ্যালুমিনা (Al₂O₃) অন্যতম। তাই সঠিক উত্তর সবগুলো।
তড়িৎ বিশ্লেষণ কোষে ক্যাথোডে ধনাত্মক আয়ন (ক্যাটায়ন) ইলেকট্রন গ্রহণ করে, অর্থাৎ ক্যাথোডে সর্বদা বিজারণ (Reduction) বিক্রিয়া ঘটে। তাই ক্যাথোডকে বিজারণ তড়িৎদ্বার বলা হয়।
লোহা বা ইস্পাতকে মরিচার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য তার ওপর দস্তা বা জিংক (Zn) এর পাতলা প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্যালভানাইজিং (Galvanizing) বলে।
যেসব পদার্থ গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় আয়নিত হয় না এবং বিদ্যুৎ পরিবহন করে না, তাদের তড়িৎ অবিশ্লেষ্য বলে। চিনি একটি সমযোজী যৌগ এবং এটি দ্রবণে আয়ন তৈরি করে না, তাই এটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য নয়।
তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি সক্রিয় ধাতুর ওপর অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বলে। এর অনেকগুলো উদ্দেশ্য থাকলেও 'প্রধান' উদ্দেশ্য হলো ধাতুকে পরিবেশের আক্রমণ ও মরিচা থেকে রক্ষা করা বা ক্ষয়রোধ করা।
ইলেকট্রোপ্লেটিং এর মাধ্যমে ধাতুর মরিচা রোধ, ক্ষয়রোধ এবং উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করা হয়। কিন্তু কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ বা রোধ করা এর উদ্দেশ্য নয়।
গ্লুকোজ একটি জৈব সমযোজী যৌগ, যা পানিতে দ্রবীভূত হলেও কোনো আয়ন উৎপন্ন করে না। ফলে এটি বিদ্যুৎ পরিবহনে অক্ষম এবং একটি তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থ।
সাধারণত ঘড়ির মেটালিক চেইন বা দৈনন্দিন ব্যবহারের শক্ত চেইনগুলো লোহার তৈরি হয়। লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচাতে এবং চকচকে আকর্ষণীয় রূপ দিতে এর ওপর ইলেকট্রোপ্লেটিং এর মাধ্যমে ক্রোমিয়াম বা নিকেলের প্রলেপ দেওয়া হয়।
জিংক সালফেট হেপ্টাহাইড্রেট ($\text{ZnSO}_4 \cdot 7\text{H}_2\text{O}$) কে সাদা ভিট্রিয়ল (White Vitriol) বলা হয়। এটি সাদা রঙের কেলাসাকার কঠিন পদার্থ।
ক্যালসিয়াম সালফেট ডাইহাইড্রেট ($\text{CaSO}_4 \cdot 2\text{H}_2\text{O}$) কে জিপসাম বলা হয়। এটি সিমেন্ট তৈরিতে জমাট বাঁধার সময়কে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
ব্লিচিং পাউডারের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম ক্লোরোহাইপোক্লোরাইট। এর গাঠনিক সংকেত প্রকাশ করতে সাধারণত $\text{Ca(OCl)Cl}$ লেখা হয় (যা মূলত $\text{CaOCl}_2$)।
সোডিয়াম (Na) একটি ক্ষার ধাতু যার ঘনত্ব পানির চেয়ে কম (০.৯৭ g/cm³)। এ কারণে সোডিয়াম ধাতুর টুকরো পানিতে ছাড়লে তা পানির উপরে ভেসে থাকে এবং অত্যন্ত তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে।
পোড়াচুন বা ক্যালসিয়াম অক্সাইড ($\text{CaO}$) পানিতে যোগ করলে অত্যন্ত তীব্র তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া ঘটে, যার ফলে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা কলিচুন তৈরি হয় এবং পানি গরম হয়ে টগবগ করে ফুটতে থাকে।
শিখা পরীক্ষায় (Flame Test) বিভিন্ন ধাতব আয়ন ভিন্ন ভিন্ন বর্ণ দেখায়। কপার বা তামা ($\text{Cu}^{2+}$) এর লবণ বুনসেন বার্নারের শিখায় নীলাভ-সবুজ বা সবুজাভ নীল রঙের উজ্জ্বল শিখা উৎপন্ন করে।
কাচ তৈরির সময় বিভিন্ন ধাতব অক্সাইড যোগ করে রঙিন কাচ প্রস্তুত করা হয়। সবুজ রঙের কাচ পাওয়ার জন্য ক্রোমিয়াম অক্সাইড ($\text{Cr}_2\text{O}_3$) বা আয়রনের যৌগ ব্যবহৃত হয়, তবে প্রধানত নিখুঁত সবুজের জন্য ক্রোমিয়াম বহুল ব্যবহৃত।
কপার সালফেট পেন্টাহাইড্রেট ($\text{CuSO}_4 \cdot 5\text{H}_2\text{O}$) কে ব্লু ভিট্রিয়ল (Blue Vitriol) বা তুঁতে বলা হয়। এর কেলাসের রঙ গাঢ় নীল।
টাইটানিয়াম, জিরকোনিয়াম, টাংস্টেন ইত্যাদি ধাতুগুলো প্রকৃতিতে তুলনামূলকভাবে বিরল বা নিষ্কাশন অত্যন্ত জটিল হওয়ায় এদের দুষ্প্রাপ্য ধাতু বলা হয়। কপার বা তামা প্রাচীনকাল থেকেই বহুল ব্যবহৃত এবং প্রকৃতিতে সহজলভ্য।
ট্রাই-প্লাম্বিক টেট্রা-অক্সাইড ($\text{Pb}_3\text{O}_4$) কে সাধারণত লাল লেড (Red Lead) বা মিনিয়াম বলা হয়। এটি উজ্জ্বল লাল বা লালচে-কমলা রঙের একটি গুঁড়ো পদার্থ যা রঙ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
লোহা বাতাসে জলীয় বাষ্প ও অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে আর্দ্র ফেরিক অক্সাইড তৈরি করে, একেই মরিচা (Rust) বলে। এর রাসায়নিক সংকেত $\text{Fe}_2\text{O}_3 \cdot n\text{H}_2\text{O}$।
ফটোগ্রাফিতে নেগেটিভ স্থায়ী করার জন্য ব্যবহৃত 'হাইপো' (Hypo) এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম থায়োসাফেট ($\text{Na}_2\text{S}_2\text{O}_3 \cdot 5\text{H}_2\text{O}$)।
সুপার অক্সাইড আয়নে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা -১/২ থাকে। পটাশিয়াম সুপার অক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত হলো $\text{KO}_2$। এটি সাবমেরিন বা মহাকাশযানে অক্সিজেন সরবরাহে ব্যবহৃত হয়।
ম্যাগনেসিয়াম (Mg) ধাতুর ফিতা বা তারকে বাতাসে উত্তপ্ত করলে তা অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে অত্যন্ত তীব্র ও চোখ ধাঁধানো সাদা আলো (Dazzling White Light) উৎপন্ন করে পুড়তে থাকে এবং ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড তৈরি করে।
পানিতে ক্যালসিয়াম ($\text{Ca}^{2+}$) এবং ম্যাগনেসিয়াম ($\text{Mg}^{2+}$) এর ক্লোরাইড, সালফেট বা বাইকার্বনেট লবণ দ্রবীভূত থাকলে পানি খর হয়। অপশনগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়াম আয়ন প্রধান কারণ হিসেবে সঠিক।
ম্যাগনেসিয়াম সালফেট হেপ্টাহাইড্রেট ($\text{MgSO}_4 \cdot 7\text{H}_2\text{O}$) কে ইপসম লবণ (Epsom Salt) বলা হয়। এটি চিকিৎসাক্ষেত্রে এবং কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয়।
লেড অ্যাসিটেট [$\text{Pb(CH}_3\text{COO)}_2$] এর স্বাদ মিষ্টি হওয়ায় এবং এর কেলাস চিনির মতো দেখায় বলে একে 'লেডের চিনি' বা 'সুগার অব লেড' (Sugar of Lead) বলা হয়। তবে এটি অত্যন্ত বিষাক্ত।
লেড অ্যাসিটেটকে লেডের চিনি বলা হয়। এর রাসায়নিক সংকেত হলো $\text{Pb(CH}_3\text{COO)}_2$।
ফেরোসোফেরিক অক্সাইড ($\text{Fe}_3\text{O}_4$) লোহা বা আয়রনের একটি প্রাকৃতিক চৌম্বকীয় অক্সাইড, যা ম্যাগনেটাইট খনিজ হিসেবে পাওয়া যায়। এটি স্থায়ী চৌম্বক ধর্ম প্রদর্শন করে।
$\text{Fe}_3\text{O}_4$ কে ফেরোসোফেরিক অক্সাইড, ট্রাই-আয়রন টেট্রাঅক্সাইড এবং আয়রনের চৌম্বকীয় অক্সাইড—তিনটি নামেই অভিহিত করা হয়। এটি মূলত $\text{FeO}$ এবং $\text{Fe}_2\text{O}_3$ এর মিশ্রণ।
লোহা বা আয়রন (Iron) হলো আধুনিক সভ্যতার ও ভারী শিল্পের মূল ভিত্তি। যেকোনো দেশের অবকাঠামো, যানবাহন ও শিল্পায়নের অগ্রগতির পরিমাপক হিসেবে আয়রন বা ইস্পাতের ব্যবহারকে বিবেচনা করা হয়।
লোহা বা আয়রন (Iron) হলো আধুনিক সভ্যতার ও ভারী শিল্পের মূল ভিত্তি। যেকোনো দেশের অবকাঠামো, যানবাহন ও শিল্পায়নের অগ্রগতির পরিমাপক হিসেবে আয়রন বা ইস্পাতের ব্যবহারকে বিবেচনা করা হয়।
ফেরাস সালফেট হেপ্টাহাইড্রেট ($\text{FeSO}_4 \cdot 7\text{H}_2\text{O}$) কে সবুজ ভিট্রিয়ল (Green Vitriol) বা হীরাকস বলা হয়। এর কেলাসগুলোর বর্ণ হালকা সবুজ।
ক্যালসিয়াম আয়ন ($\text{Ca}^{2+}$) সনাক্তকরণ পরীক্ষায় দ্রবণে অ্যামোনিয়াম অক্সালেট [$(\text{NH}_4)_2\text{C}_2\text{O}_4$] যোগ করলে ক্যালসিয়াম অক্সালেটের ($\text{CaC}_2\text{O}_4$) একটি সাদা রঙের দ্রবণীয় অধঃক্ষেপ তৈরি হয়।
জিংক, অ্যালুমিনিয়াম এবং লেড উভধর্মী ধাতু হওয়ায় এরা তীব্র ক্ষারের (যেমন NaOH) সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে। কিন্তু কপার (Cu) ক্ষারের সাথে এভাবে বিক্রিয়া করে না।
দ্রাব্যতা বিধি (Solubility Rules) অনুযায়ী, সমস্ত ধাতুর নাইট্রেট ($\text{NO}_3^-$) লবণ পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবণীয়। এর কোনো ব্যতিক্রম সাধারণত দেখা যায় না।
কোরাণ্ডাম (Corundum) হলো অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের ($\text{Al}_2\text{O}_3$) একটি স্ফটিকাকার বা কেলাসিত রূপ। এটি অত্যন্ত শক্ত খনিজ এবং হিরের পরেই এর অবস্থান। রুবী ও স্যাফায়ার এর মূল্যবান রূপভেদ।
জিংক অক্সাইড ($\text{ZnO}$) দাঁতের চিকিৎসায় অস্থায়ী ফিলিং বা ডেন্টাল সিমেন্ট তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত একটি উপাদান। এটি জীবাণুনাশক ও সুরক্ষাকারী স্তর হিসেবে কাজ করে।
গাঢ় নাইট্রিক এসিড, ক্রোমিক এসিড বা হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের মতো শক্তিশালী জারক পদার্থ আয়রনের সংস্পর্শে এলে এর উপরিভাগে অক্সাইডের একটি সূক্ষ্ম নিরেট নিষ্ক্রিয় স্তর তৈরি করে। কিন্তু গাঢ় সালফিউরিক এসিডের ক্ষেত্রে বিক্রিয়া ভিন্ন হয় এবং এটি সহজে আয়রনকে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় (Passive) করে না।
আয়রনকে তীব্র জারক পদার্থ (যেমন গাঢ় নাইট্রিক এসিড) দ্বারা বিক্রিয়া করালে তার ওপর ট্রাই আয়রন টেট্রাঅক্সাইড ($\text{Fe}_3\text{O}_4$) বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডের একটি সূক্ষ্ম প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি হয়, যা লোহাকে পরবর্তী বিক্রিয়া থেকে রক্ষা করে নিষ্ক্রিয় করে তোলে।
ফি: ফ্রি