Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
অণুতে পরমাণুসমূহ যে আকর্ষণ বলের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে, তাকে রাসায়নিক বন্ধন বলে।
পর্যায় সারণির ১৮ নং গ্রুপের মৌলগুলোকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়। নিয়ন (Ne) একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস।
পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে চারদিকে ঘোরে।
১৮০৩ সালে জন ডাল্টন তাঁর পরমাণুবাদে উল্লেখ করেন যে পরমাণু অবিনাশী এবং একে আর ভেঙে ক্ষুদ্রতর করা যায় না।
ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত হওয়ায় একে সাধারণত $e^-$ প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
হাইড্রোজেনের তিনটি প্রধান প্রাকৃতিক আইসোটোপ হলো প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম।
নিউট্রন হলো পরমাণুর একটি স্থায়ী মূল কণিকা যা সম্পূর্ণ আধানহীন বা নিরপেক্ষ।
কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটন সংখ্যাকে পারমাণবিক সংখ্যা বলা হয় এবং একে 'Z' দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ভর সংখ্যাকে 'A' দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
সাধারণ হাইড্রোজেন বা প্রোটিয়ামের ($^1_1H$) নিউক্লিয়াসে কেবল ১টি প্রোটন থাকে, কোনো নিউট্রন থাকে না ($1 - 1 = 0$)।
নিউট্রন সংখ্যা = ভর সংখ্যা (A) - পারমাণবিক সংখ্যা (Z) = $23 - 11 = 12$টি।
একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ১ লিটার দ্রবণের মধ্যে দ্রবীভূত দ্রবের মোল সংখ্যাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলে, যা ঘনমাত্রা প্রকাশের প্রধান রাসায়নিক একক।
অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী ৩ এবং সালফেটের যোজনী ২। যোজনী বিনিময় করে সঠিক সংকেতটি হয় $Al_2(SO_4)_3$।
ধাতু (Ca) এবং অধাতুর (O) মধ্যে ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে আয়নিক বন্ধন গঠিত হয়। তাই CaO একটি আয়নিক যৌগ।
ইলেকট্রন ত্যাগ বা গ্রহণের ফলে আয়নের ইলেকট্রন সংখ্যার পরিবর্তন হয়, কিন্তু প্রোটন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না। সোডিয়ামের প্রোটন সংখ্যা সর্বদা ১১।
পরমাণুর তিনটি স্থায়ী মূল কণিকার (ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন) মধ্যে ইলেকট্রন সবচেয়ে হালকা ও ক্ষুদ্রতম ভরযুক্ত।
সোনার রাসায়নিক প্রতীক Au এবং এর পারমাণবিক সংখ্যা হলো ৭৯।
একটি প্রোটনের প্রকৃত ভর প্রায় $1.67 \times 10^{-24}$ গ্রাম।
১৯১১ সালে বিখ্যাত আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষার মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন।
ইউরেনিয়ামের (U) সবচেয়ে সহজলভ্য আইসোটোপের পারমাণবিক ভর সংখ্যা হলো ২৩৮।
১৯৩২ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জেমস চ্যাডউইক পরমাণুর চার্জহীন মূল কণিকা নিউট্রন আবিষ্কার করেন।
১৯১৩ সালে বিজ্ঞানী নীলস বোর প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে তাঁর বিখ্যাত পরমাণু মডেল প্রকাশ করেন।
অক্সিজেনের স্বাভাবিক ইলেকট্রন সংখ্যা ৮। $O^{2-}$ আয়নটি ২টি অতিরিক্ত ইলেকট্রন গ্রহণ করায় মোট ইলেকট্রন সংখ্যা হয় $8 + 2 = 10$।
হিলিয়ামের (He) মোট ইলেকট্রন ২টি এবং এর একমাত্র কক্ষপথে সর্বমোট ২টি ইলেকট্রন থাকে (দ্বিত্ব নীতি পূরণ করে)। বাকি নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর শেষ কক্ষপথে ৮টি করে ইলেকট্রন থাকে।
কার্বনের যোজনী ৪। অষ্টক পূরণের জন্য কার্বন পরমাণু অন্য পরমাণুর সাথে ৪টি ইলেকট্রন শেয়ার বা ভাগাভাগি করে।
নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ (যেমন নিয়ন) রাসায়নিকভাবে অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় হওয়ায় প্রকৃতিতে এরা একক পরমাণু হিসেবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে।
ক্যালসিয়ামের যোজনী ২ এবং ফসফেট মূলকের ($PO_4$) যোজনী ৩। যোজনী বিনিময় করে সঠিক সংকেতটি দাঁড়ায় $Ca_3(PO_4)_2$।
প্রমাণ অবস্থায় (STP) যেকোনো গ্যাসের ১ মোলের আয়তন ২২.৪ লিটার। হাইড্রোজেনের আণবিক ভর ২ গ্রাম অর্থাৎ ২ গ্রাম $H_2$ = ১ মোল। সুতরাং এর আয়তন ২২.৪ লিটার।
অ্যামোনিয়ার আণবিক ভর = $14 + (1 \times 3) = 17$ গ্রাম। যেহেতু ১৭ গ্রাম $NH_3$ = ১ মোল, সেহেতু প্রমাণ অবস্থায় (STP) এর আয়তন হবে ২২.৪ লিটার।
ক্যালসিয়াম সালফেট ডাইহাইড্রেট ($CaSO_4 \cdot 2H_2O$) কে বাণিজ্যিকভাবে জিপসাম বলা হয়।
গ্লুকোজ ($C_6H_{12}O_6$) একটি সমযোজী যৌগ যা জলীয় দ্রবণে আয়নিত হয় না। আয়ন তৈরি না করায় এটি বিদ্যুৎ পরিবহন করে না।
নিউক্লিয়াস পরমাণুর কেন্দ্র, এটি কোনো একক মৌলিক কণিকা নয়। প্রোটন ও নিউট্রন নিয়ে নিউক্লিয়াস গঠিত হয়।
১৯১৬ সালে বিজ্ঞানী ডব্লিউ কোсел (W. Kossel) সর্বপ্রথম আয়নিক বন্ধন গঠনের সঠিক ব্যাখ্যা ও ধারণা প্রদান করেন।
পরমাণুর ব্যাসার্ধের তুলনায় নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ অত্যন্ত নগণ্য, যা প্রায় $10^5$ গুণ বা এক লক্ষ গুণ ছোট।
বিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর تড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা।
ফসফরাস ত্রিক্লোরাইড ($PCl_3$) যৌগে দুটি অধাতব পরমাণু (P ও Cl) ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে সমযোজী বন্ধন গঠন করে।
মিথেন ($CH_4$) এবং কার্বন টেট্রাক্লোরাইড ($CCl_4$) অণুর কেন্দ্রীয় কার্বন পরমাণুটি $sp^3$ সংকরায়ন প্রদর্শন করায় এদের আকৃতি সুষম চতুস্তলকীয় (Tetrahedral) হয়।
পানির অণুর কেন্দ্রীয় অক্সিজেন পরমাণুতে দুটি মুক্তজোড় (Lone pair) ইলেকট্রন থাকায় মুক্তজোড়-মুক্তজোড় বিকর্ষণের কারণে এর আকৃতি বাঁকা বা কৌণিক (V-shaped) হয়।
$CaCO_3$ এর আণবিক ভর = $40 + 12 + (16 \times 3) = 100$ গ্রাম। আমরা জানি, ১০০ গ্রামে অণু থাকে $6.02 \times 10^{23}$ টি। অতএব, ১০ গ্রামে থাকবে: $\frac{6.02 \times 10^{23} \times 10}{100} = 6.02 \times 10^{22}$ টি।
খাবার সোডার ($NaHCO_3$) আণবিক ভর = $23 + 1 + 12 + 48 = 84$ গ্রাম। ১টি অণুর ভর = $\frac{\text{আণবিক ভর}}{\text{অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা}} = \frac{84}{6.023 \times 10^{23}} \approx 1.3953 \times 10^{-22}$ গ্রাম।
১ মোল যেকোনো পদার্থে অণুর সংখ্যা $6.02 \times 10^{23}$ টি। সুতরাং ০.২৫ মোলে অণুর সংখ্যা হবে: $0.25 \times 6.02 \times 10^{23} = 1.505 \times 10^{23}$ টি।
$SO_2$ এর আণবিক ভর = $32 + (16 \times 2) = 64$ গ্রাম। আমরা জানি, ৬৪ গ্রাম $SO_2$ এর আয়তন ২২.৪ লিটার। অতএব, ৬০ গ্রামের আয়তন: $\frac{22.4 \times 60}{64} = 21$ লিটার।
NaCl এর আণবিক ভর = $23 + 35.5 = 58.5$ গ্রাম। মোলারিটি (S) = $\frac{W \times 1000}{M \times V} = \frac{117 \times 1000}{58.5 \times 1000} = 2\text{ M}$।
মোলারিটি (S) = $\frac{W \times 1000}{M \times V} = \frac{117 \times 1000}{58.5 \times 500} = 4\text{ M}$।
$Al_2(SO_4)_3$ এর মোট আণবিক ভর = ৩৪২। যৌগে সালফারের মোট ভর = $32 \times 3 = 96$। শতকরা সংযুতি = $\frac{96 \times 100}{342} = 28.07\%$।
ফি: ফ্রি