Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
পটাশিয়াম (K) এর পারমাণবিক সংখ্যা ১৯। এর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো: $1s^2 2s^2 2p^6 3s^2 3p^6 4s^1$।
N প্রধান শক্তিস্তরের জন্য প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা $n = 4$। এর জন্য সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা $l$ এর মান হতে পারে 0, 1, 2, 3 অর্থাৎ s, p, d, f এই ৪টি উপশক্তিস্তর থাকে।
হাইড্রোজয়িক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো $HN_3$। অন্য দিকে $NH_3$ হলো অ্যামোনিয়ার সংকেত।
যেসব যৌগের অণুতে বিদ্যমান পরমাণুগুলোর অনুপাতকে আর সরল করা যায় না, তাদের স্থূল ও আণবিক সংকেত একই হয়। $NH_3$-তে N ও H এর অনুপাত ১:৩, যা ইতিমধ্যেই সরলতম রূপ। তাই এর স্থূল ও আণবিক সংকেত একই।
অ্যাসিটিলিন বা ইথাইন ($C_2H_2$) এর গাঠনিক সংকেত হলো $H-C \equiv C-H$। এতে কার্বন-কার্বন ত্রিবন্ধন বিদ্যমান।
গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দে পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার নাম দেন 'Atoms' বা পরমাণু।
পারমাণবিক ভর প্রকাশের আন্তর্জাতিক একক হলো amu (Atomic Mass Unit)। ১ amu = $1.66 \times 10^{-24}\text{ g}$।
ক্লোরিন গ্যাস দ্বি-পরমাণুক অণু ($Cl_2$) হিসেবে থাকে। তাই ১ মোল ক্লোরিন গ্যাস বলতে $6.023 \times 10^{23}$ টি ক্লোরিন অণুকে বোঝায়।
কোনো মৌলকে প্রকাশের আন্তর্জাতিক নিয়ম হলো মৌলের প্রতীকের বাম পাশে নিচে পারমাণবিক সংখ্যা (প্রোটন সংখ্যা) এবং উপরে ভরসংখ্যা লেখা হয়। সুতরাং সঠিক প্রকাশটি হবে $^{252}_{111}Z$।
আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = $\frac{\text{মৌলের ১টি পরমাণুর ভর}}{১টি\ C-12\text{ আইসোটোপের ভরের } \frac{1}{12}\text{ অংশ}} = \frac{4.482 \times 10^{-23}}{1.66 \times 10^{-24}} = 27$।
স্ক্যান্ডিয়াম (Sc) এর ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে আউফবাউ নীতি অনুযায়ী ১৯ ও ২০ তম ইলেকট্রন প্রথমে নিম্ন শক্তির $4s$ অরবিটালে প্রবেশ করে পূর্ণ হওয়ার পর ২১ তম ইলেকট্রনটি উচ্চ শক্তির $3d$ অরবিটালে প্রবেশ করে। সাজিয়ে লিখলে হয়: $1s^2 2s^2 2p^6 3s^2 3p^6 3d^1 4s^2$।
ছবিতে প্রদত্ত অপশনগুলোতে হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন সবই দ্বি-পরমাণুক। তবে মূল অপশন অনু্যায়ী হাইড্রোজেন ($H_2$) দ্বি-পরমাণুক মৌলিক অণুর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
রুশ বিজ্ঞানী মিখাইল লমোনোসভ রসায়নকে ভৌত বিজ্ঞানের একটি প্রধান শাখা হিসেবে প্রথম সার্থকভাবে উপস্থাপন ও ঘোষণা করেন।
বোরন (Boron) নামটি আরবি শব্দ 'বুরাক' (Borax) থেকে এসেছে, যা খনিজ সোডিয়াম বোরেটকে নির্দেশ করত।
সমতাকৃত সঠিক রাসায়নিক সমীকরণটি হলো $2H_2 + O_2 \rightarrow 2H_2O$, যেখানে উভয় পক্ষে পরমাণুর সংখ্যা সমান থাকে।
আয়রন বা লোহার ল্যাটিন নাম হলো Ferrum, যার প্রতীক Fe। সোডিয়ামের ল্যাটিন নাম Natrium (Na) এবং কপারের ল্যাটিন নাম Cuprum (Cu)।
১ amu বা পারমাণবিক ভর একক সমান $1.66 \times 10^{-24}$ গ্রাম।
পটাশিয়াম সুপারঅক্সাইড ($KO_2$) এ পটাশিয়ামের জারণ সংখ্যা +১। ফলে দুটি অক্সিজেন পরমাণুর মোট জারণ সংখ্যা হয় -১, অর্থাৎ প্রতিটি অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা $-\frac{1}{2}$ বা -0.5।
ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত হলো $MnO_2$। এখানে ম্যাঙ্গানিজের জারণ অবস্থা +৪।
সোডিয়াম নাইট্রেটের সঠিক রাসায়নিক সংকেত $NaNO_3$। অন্য দিকে $NaNO_2$ হলো সোডিয়াম নাইট্রাইট।
ম্যাগনেসিয়ামের যোজনী ২ এবং ফসফেট মূলকের ($PO_4^{3-}$) যোজনী ৩। যোজনী বিনিময় করে সঠিক সংকেতটি দাঁড়ায় $Mg_3(PO_4)_2$।
ক্রোমেট মূলকের সংকেত হলো $CrO_4^{2-}$। অন্যদিকে $Cr_2O_7^{2-}$ হলো ডাইক্রোমেট মূলকের সংকেত।
গ্লুকোজের আণবিক সংকেত $C_6H_{12}O_6$। এর পরমাণুগুলোর অনুপাত C:H:O = 6:12:6 বা সরল করলে ১:২:১ হয়। সুতরাং এর স্থূল সংকেত $CH_2O$।
আলকেমিস্ট জাবের ইবনে হাইয়ান সর্বপ্রথম পরীক্ষাগার বা ল্যাবরেটরি স্থাপন করে গবেষণা করেন, তাই তাঁকে অনেক সময় প্রাচীন রসায়নের জনক বলা হয়।
১৭৭৪ সালে ফরাসি রসায়নবিদ অ্যান্টোইন ল্যাভয়সিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে বায়ু মূলত নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত।
ফি: ফ্রি