Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
কয়লার প্রধান বা মূল উপাদান হলো কার্বন (C)। কয়লা পুড়লে এই কার্বন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং তাপশক্তি উৎপন্ন করে।
পিঁপড়া বা মৌমাছি কামড়ালে তাদের হুল থেকে ফরমিক এসিড (Formic Acid) নিঃসৃত হয়, যার কারণে আমাদের শরীরে জ্বালাপোড়া করে। ফরমিক এসিডের সংকেত হলো HCOOH।
খাদ্যদ্রব্যকে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা অণুজীবের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে দীর্ঘ সময় ভালো রাখার জন্য প্রিজারভেটিভস (Preservatives) বা খাদ্য সংরক্ষক ব্যবহার করা হয়।
রেডিয়াম (Radium) একটি অত্যন্ত শক্তিশালী তেজস্ক্রিয় মৌল। এটি থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্ষতিকর আলফা, বেটা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
আমিষ বা প্রোটিনের প্রধান মৌলিক উপাদান চারটি হলো—কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) এবং নাইট্রোজেন (N)।
কপার (তামা) এবং টিন (Tin) ধাতুকে একসাথে গলিয়ে মিশ্রিত করলে ব্রোঞ্জ (কান্সা) নামক সংকর ধাতু তৈরি হয়। এটি প্রাচীনকাল থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাতু।
মানব সভ্যতার ইতিহাসে মানুষের ব্যবহৃত প্রথম ধাতু হলো কপার বা তামা (Cu)। কপার আবিষ্কারের মাধ্যমেই ব্রোঞ্জ যুগের সূচনা হয়েছিল।
প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় রসায়ন চর্চাকে 'আল-কেমী' (Alchemy) বলা হতো। এই শব্দ থেকেই আধুনিক 'Chemistry' শব্দের উৎপত্তি।
আলকেমি (Alchemy) শব্দটি মূলত আরবি শব্দ 'আল-কিমিয়া' (Al-Kimiya) থেকে এসেছে, যা প্রাচীন মিশরীয় 'কেমি' শব্দ থেকে উদ্ভূত।
মূলত 'কেমি' বা 'কিমিয়া' শব্দ দ্বারা প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতাকে বোঝানো হতো, কারণ মিশরের কালো মাটিকে তারা কেমি বলত এবং সেখান থেকেই রসায়ন চর্চার প্রাচীন বিকাশ ঘটে।
মধ্যযুগের আল-কেমিস্ট বা মুসলিম দার্শনিকদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল সস্তা বা সাধারণ ধাতুকে (যেমন লোহা, তামা) সোনা (Gold)-য় রূপান্তর করা এবং অমরত্ব লাভের জন্য 'পরশপাথর' তৈরি করা।
ফি: ফ্রি