Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
হৃৎপিণ্ড মানবদেহের একটি বিশেষ অঙ্গ, যা পাম্পের মতো সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন সচল রাখে। এটি মানুষের ইচ্ছাধীন নয়, তাই একে স্বয়ংক্রিয় পাম্প বলা হয়।
যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। যেহেতু প্রোটন সংখ্যা সমান, তাই এরা একই মৌলের ভিন্ন রূপ বা রূপভেদ।
CT Scan-এর পূর্ণরূপ হলো Computed Tomography Scan। এক্স-রে এবং কম্পিউটারের সমন্বয়ে শরীরের ভেতরের ত্রিমাত্রিক নিখুঁত ছবি পাওয়ার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
MRI-এর পূর্ণরূপ হলো Magnetic Resonance Imaging। তীব্র চৌম্বক ক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গের সাহায্যে শরীরের ভেতরের নরম টিস্যু ও অঙ্গের সূক্ষ্ম ছবি তৈরি করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
ETT-এর পূর্ণরূপ হলো Exercise Tolerance Test। সাধারণত ট্রেডমিল বা সাইকেল চালানোর মাধ্যমে পরিশ্রমের সময় হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম এবং রক্ত সঞ্চালনের অবস্থা পরিমাপ করতে এই পরীক্ষা করা হয়।
সিটিস্ক্যান (CT Scan) যন্ত্র কম্পিউটারের সাহায্যে শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অংশের চারপাশের অনেকগুলো এক্স-রে ছবি একত্রিত করে একটি নিখুঁত ত্রিমাত্রিক (3D) প্রতিবিম্ব বা স্লাইস তৈরি করে।
রেডিওথেরাপি বা বিকিরণ চিকিৎসা হলো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এক্স-রে বা বিকিরণ ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস এবং এর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি।
রক্তস্বল্পতা (Anemia) বা লিউকেমিয়ার মতো রক্তের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (P-32) আইসোটোপটি ব্যবহার করা হয়।
এনজিওগ্রাম (Angiogram) হলো একটি বিশেষ এক্স-রে পরীক্ষা যার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের সুক্ষ্ম রক্তনালিকার ভেতরের ব্লকেজ বা সংকীর্ণতা নিখুঁতভাবে সনাক্ত করা যায়। (নোট: ব্লকেজ দূর করার পদ্ধতির নাম এনজিওপ্লাস্টি)।
খাদ্য গ্রহণের পর শ্বসন প্রক্রিয়ায় খাদ্যের রাসায়নিক শক্তি ভেঙে শরীরে তাপশক্তি (দেহের তাপমাত্রা বজায় রাখতে) এবং যান্ত্রিক শক্তি (শারীরিক কাজকর্ম বা চলাচলের জন্য) উৎপন্ন হয়।
গর্ভস্থ ভ্রুণের বৃদ্ধি, লিঙ্গ বা কোনো ত্রুটি আছে কি না তা অত্যন্ত দ্রুত, নিরাপদ এবং কোনো ক্ষতিকারক বিকিরণ ছাড়াই দেখার জন্য আল্ট্রাসোনোগ্রাফি (Ultrasonography) ব্যবহার করা হয়।
এম.আর.আই (MRI) কোনো প্রকার ক্ষতিকারক এক্স-রে বা তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছাড়াই চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে অত্যন্ত নিরাপদে ও ব্যথাহীনভাবে শরীরের অভ্যন্তরীণ রোগ নির্ণয় করতে পারে।
এন্ডোস্কোপি (Endoscopy) হলো এমন একটি পদ্ধতি যাতে একটি নমনীয় নলের মাথায় ক্যামেরা যুক্ত করে কোনো প্রকার কাটাছেঁড়া বা অস্ত্রোপচার ছাড়াই পাকস্থলী বা অন্ত্রের ভেতরের অংশ সরাসরি দেখা যায়।
শারীরিক ব্যায়াম বা স্ট্রেসের সময় হৃৎপিণ্ড কীভাবে কাজ করছে এবং এর বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ কেমন থাকে, তা ইটিটি (ETT - Exercise Tolerance Test) পরীক্ষার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
ফি: ফ্রি