Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
জন লজি বেয়ার্ড ১৯২৬ সালে প্রথম যান্ত্রিক টেলিভিশন প্রদর্শন করেন। তাই তাকে টেলিভিশনের আবিষ্কারক বলা হয়।
১৯২৬ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী জন লজি বেয়ার্ড সফলভাবে প্রথম টেলিভিশন প্রদর্শন করেন।
বিশ্ববিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও বিবর্তন নিয়ে ১৯৮৮ সালে 'A Brief History of Time' বইটি প্রকাশ করেন।
আমাদের সূর্য এবং সৌরজগৎ যে বিশাল ছায়াপথের অংশ, তাকে বাংলায় আকাশগঙ্গা বা ইংরেজিতে মিল্কিওয়ে (Milky Way) বলা হয়।
দৃশ্যমান মহাবিশ্বে আনুমানিক ১০ থেকে ২০ হাজার কোটিরও বেশি ছায়াপথ রয়েছে। সাধারণ পাঠ্যবইয়ের তথ্য অনুযায়ী এই সংখ্যা প্রায় এক হাজার কোটি বা তার বেশি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
১৮৯৬ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল অবিন্যস্তভাবে ইউরেনিয়াম ধাতু থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমন আবিষ্কার করেন।
হেনরি বেকেরেল ১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়াম লবণের উপর গবেষণা করতে গিয়ে সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেছিলেন।
এক্সরে বা রঞ্জন রশ্মির আন্তর্জাতিক বিকিরণ একক হলো রন্টজেন (Röntgen), যা এর আবিষ্কারক উইলহেম রন্টজেনের নামানুসারে রাখা হয়েছে।
প্রকৃতির তিনটি প্রাথমিক বা মৌলিক রঙ হলো লাল, সবুজ এবং নীল (RGB - Red, Green, Blue)। রঙিন টেলিভিশনে এই তিনটি রঙ ব্যবহার করেই অন্যান্য সব রঙ তৈরি করা হয়।
কম্পিউটার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, তথ্য সংরক্ষণ এবং ভুল সনাক্ত করতে পারলেও মানুষের নির্দেশ ছাড়া নিজে নিজে নিজের ভুল সংশোধন করতে পারে না।
টেলিভিশন ক্যামেরা দৃশ্যমান ছবি বা আলোক তরঙ্গকে বৈদ্যুতিক বা তড়িৎ সংকেতে (Electrical Signals) রূপান্তর করে প্রেরণের উপযোগী করে তোলে।
রেকটিফায়ার (Rectifier) বা একমুখীকারক একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা অল্টারনেটিং কারেন্টকে ($AC$) একমুখী প্রবাহ বা ডাইরেক্ট কারেন্টে ($DC$) রূপান্তর করে।
ইলেকট্রনিক সার্কিটে ট্রানজিস্টর মূলত দুর্বল সংকেতকে শক্তিশালী করার জন্য অ্যাম্প্লিফায়ার (বিবর্ধক) এবং সুইচ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
তিনটি প্রাথমিক বা মৌলিক রঙের (লাল, সবুজ, নীল) জন্য রঙিন টেলিভিশন ক্যামেরায় পৃথক পৃথক ৩টি ইলেকট্রন টিউব বা ইমেজ সেন্সর ব্যবহৃত হয়।
তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও ভেদনক্ষমতার উপর ভিত্তি করে এক্সরে মূলত দুই প্রকার: ১. কোমল এক্সরে (Soft X-ray) এবং ২. কঠিন এক্সরে (Hard X-ray)।
তড়িৎ ক্ষরণ নলে (Discharge Tube) উচ্চ বিভব পার্থক্যের সাহায্যে ক্যাথোড রশ্মি উৎপাদন করে তা ভারী ধাতব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার মাধ্যমে এক্সরে ($X$-ray) উৎপন্ন করা হয়।
এক্সরে টিউবের প্রধান অংশগুলো হলো ফিলামেন্ট (ক্যাথোড), টার্গেট বা অ্যানোড এবং উচ্চ বিভব উৎস। সীসার ব্লক এক্সরে টিউবের ভেতরের অংশ নয়, এটি ক্ষতিকর বিকিরণ আটকানোর জন্য বাইরে ব্যবহৃত আবরণ।
অন্ধকারে ঘড়ির কাঁটা উজ্জ্বল রাখার জন্য তেজস্ক্রিয় থোরিয়াম বা রেডিয়ামের সাথে ফসফর জাতীয় পদার্থ হিসেবে জিংক সালফাইড ($ZnS$) এর মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
বিজ্ঞানীদের মতে সূর্যের বর্তমান বয়স আনুমানিক ৪.৬ বিলিয়ন বছর বা প্রায় ৪৬০০ মিলিয়ন বছর, যা বিকল্পগুলোর মধ্যে ৫০০০ মিলিয়ন বা ৫০০ কোটি বছরের কাছাকাছি।
রাডার (RADAR) প্রযুক্তিতে বস্তু সনাক্তকরণ এবং দূরত্ব পরিমাপের জন্য অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ বা মাইক্রোওয়েভ (Microwave) ব্যবহার করা হয়।
আলফা কণা ($\alpha$-particle) হলো প্রকৃতপক্ষে দুটি প্রোটন এবং দুটি নিউট্রন বিশিষ্ট একটি দ্বি-ধনাত্মক হিলিয়াম নিউক্লিয়াস ($He^{2+}$)।
নিউক্লিয়ার তেজস্ক্রিয় ভাঙনের সময় নির্গত বিটা কণা ($\beta$-particle) হলো উচ্চ গতিসম্পন্ন ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রনের স্রোত।
একটি ক্ষুদ্র সিলিকন চিপের ওপর বা ভেতরে বহুসংখ্যক ট্রানজিস্টর, ডায়োড ও রেজিস্টর যুক্ত করে যে অত্যন্ত ছোট জটিল ইলেকট্রনিক সার্কিট তৈরি করা হয় তাকে সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (Integrated Circuit - IC) বলে।
বেলজিয়াম বিজ্ঞানী জর্জেস লেমেটার (Georges Lemaître) ১৯২৭ সালে প্রথম মহাবিশ্বের প্রসারণ এবং সৃষ্টির আদি অবস্থা বা 'বিগ ব্যাং' (Big Bang) তত্ত্বের গাণিতিক ধারণা প্রস্তাব করেন।
সাধারণত যেসব ভারী মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর বেশি (অর্থাৎ লেড বা সিসার চেয়ে ভারী), তাদের নিউক্লিয়াস অস্থির প্রকৃতির হওয়ায় তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
পর্যায় সারণীর ৮২ নম্বর মৌল সিসা (Pb) এর পরবর্তী উচ্চ পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট মৌলগুলো প্রাকৃতিকভাবে তেজস্ক্রিয়। তাই প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তার সূচনাকারী সর্বনিম্ন পারমাণবিক সংখ্যা ধরা হয় ৮২ এর বেশি বা এর কাছাকাছি টেকনেটিয়াম (৪৩) ও প্রমিথিয়াম (৬১) বাদে ৮২ এর ওপরের মৌলগুলোকে। বইয়ের ডাটানুযায়ী সর্বনিম্ন সীমার মান ৮২ ধরা হয়।
তেজস্ক্রিয় ভাঙনের ফলে নিউক্লিয়াস থেকে প্রধানত তিন ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। এগুলো হলো: আলফা ($\alpha$), বিটা ($\beta$), এবং গামা ($\gamma$) রশ্মি।
মেসন (Meson) হলো এক প্রকার হ্যাড্রন কণা যা পূর্ণসংখ্যার স্পিন ধারণ করে। সাধারণত মেসন কণার স্পিন $0$ অথবা $1$ হতে পারে। অপশনে মৌলিক বা গ্রাউন্ড স্টেট মেসনের স্পিন $0$ কে সঠিক উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়।
ব্যারিয়ন (Baryon) হলো তিনটি কোয়ার্ক দ্বারা গঠিত ফার্মিয়ন কণা। এদের স্পিন সর্বদা ভগ্নাংশ বা অর্ধ-পূর্ণসংখ্যা হয়, যেমন: $\frac{1}{2}$, $\frac{3}{2}$ ইত্যাদি।
পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন উচ্চতর তথ্য অনুযায়ী মহাবিশ্বে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত বা অনুমিত মোট উপ-পারমাণবিক বা মৌলিক কণিকার সংখ্যা প্রায় ১৩৫টি।
এক্সরের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অত্যন্ত ক্ষুদ্র হয়ে থাকে, যা সাধারণত $0.01 \text{ nm}$ থেকে $10 \text{ nm}$ অর্থাৎ $10^{-11} \text{ m}$ থেকে $10^{-8} \text{ m}$ এর মধ্যে থাকে। বিকল্পগুলোর মধ্যে $10^{-10} \text{m}$ (১ অ্যাংস্ট্রম) এর সবচেয়ে কাছাকাছি।
অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টরের আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী ও অপরিবাহীর মাঝামাঝি থাকে। পাঠ্যপুস্তকের সাধারণ পরিমাপ অনুযায়ী এটি $10^{-5} \Omega\text{-m}$ থেকে $10^{-4} \Omega\text{-m}$ এর পরিসরে দেখা যায়। (দ্রষ্টব্য: কিছু বইয়ে এটি $10^{-5} \Omega\text{-m}$ থেকে $10^4 \Omega\text{-m}$ পর্যন্তও নির্দেশ করে)।
অন্তরক বা অপরিবাহী পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হতে পারে না কারণ এর আপেক্ষিক রোধ অত্যন্ত উচ্চ মানের হয়, যা সাধারণত $10^{11} \Omega\text{-m}$ থেকে $10^{17} \Omega\text{-m}$ বা তার বেশি হয়ে থাকে।
ফি: ফ্রি