Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
পদার্থের সাধারণ তিনটি অবস্থা (কঠিন, তরল, গ্যাসীয়) ছাড়াও অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত অবস্থার সৃষ্টি হয়, যাকে পদার্থের চতুর্থ অবস্থা বা 'প্লাজমা' (Plasma) বলা হয়। সূর্য এবং নক্ষত্রসমূহ প্লাজমা অবস্থায় থাকে।
চাপ = বল / ক্ষেত্রফল। বলের একক নিউটন ($N$) এবং ক্ষেত্রফলের একক বর্গমিটার ($m^2$) হওয়ায় চাপের একক হয় $\text{Nm}^{-2}$। অতএব, $1\text{ Pa} = 1\text{ Nm}^{-2}$।
কোনো তলের উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত মোট বলকেই ধাক্কা (Thrust) বলে। যেহেতু ধাক্কা এক প্রকার বল, তাই এর আন্তর্জাতিক একক হলো 'নিউটন' ($N$)।
পৃথিবী পুরোপুরি গোলাকার নয়, মেরু অঞ্চলে একটু চাপা। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ $R$ মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে কম হওয়ায় সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ $g$-এর মান সবচেয়ে বেশি ($৯.৮৩\text{ ms}^{-2}$)।
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপ হলো ৭৬ সে.মি. পারদ স্তম্ভের চাপের সমান (বা $760\text{ mm Hg}$)। প্যাসকেলে এর মান প্রায় $1.013 \times 10^5\text{ Pa}$।
কোনো তলের সমগ্র ক্ষেত্রফলের উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত মোট বলকে ধাক্কা (Thrust) বলা হয়। এটি মূলত চাপের কারণে সৃষ্ট মোট বল।
ইমেজে 'ধাকার' লিখা থাকলেও এটি মূলত 'ধাক্কার মাত্রা'। যেহেতু ধাক্কা এক প্রকার মোট বল, তাই এর মাত্রা বলের মাত্রার অনুরূপ অর্থাৎ $[MLT^{-2}]$।
প্যাসকেলের সূত্রানুযায়ী, আবদ্ধ পাত্রে তরল বা বায়বীয় পদার্থের কোনো অংশের ওপর চাপ প্রয়োগ করলে সেই চাপ চারদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হয়। এই নীতি ব্যবহার করে হাইড্রোলিক প্রেসের মাধ্যমে কম বল প্রয়োগ করে বেশি বল লাভ করা যায়, যা বল বৃদ্ধিকরণ নীতি নামে পরিচিত।
পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের জন্য $4^\circ\text{C}$ তাপমাত্রায় এর ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়। কেলভিন স্কেলে এই তাপমাত্রাটি হলো $273 + 4 = 277\text{ K}$।
ইমেজে দেওয়া উত্তরে ভুলবশত ১/১২ চিহ্নিত করা আছে, তবে বিশুদ্ধ পানির ক্ষেত্রে বরফের আপেক্ষিক গুরুত্ব অনুযায়ী বরফ খণ্ডের মোট আয়তনের $\frac{১১}{১২}$ অংশ পানির নিচে ডুবে থাকে এবং মাত্র $\frac{১}{১২}$ অংশ পানির উপরে ভেসে থাকে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো 'ans_b'।
পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে $0^\circ\text{C}$ থেকে $4^\circ\text{C}$ পর্যন্ত তাপমাত্রায় পানির আয়তন কমে এবং ঘনত্ব বাড়তে থাকে। $4^\circ\text{C}$ তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়।
সূর্য বা সৌরশক্তি হলো একটি অফুরন্ত নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। সূর্য থেকে প্রাপ্ত শক্তি কখনো শেষ হয় না এবং তা বারবার ব্যবহার করা যায়।
বায়ুমণ্ডলের চাপ পরিমাপ করার জন্য 'ব্যারোমিটার' (Barometer) ব্যবহার করা হয়। টরিসেলি প্রথম এটি আবিষ্কার করেন।
পদার্থের সাধারণ তিনটি অবস্থা ছাড়াও অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত অবস্থার সৃষ্টি হয়, যাকে পদার্থের চতুর্থ অবস্থা বা 'প্লাজমা' (Plasma) বলা হয়।
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপ হলো ৭৬ সে.মি. পারদ স্তম্ভের চাপের সমান (বা $760\text{ mm Hg}$)।
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে (SI) চাপের একক হলো 'প্যাসকেল' (Pa)। প্রতি বর্গমিটার ক্ষেত্রফলের উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বলকে ১ প্যাসকেল বলে ($1\text{ Pa} = 1\text{ Nm}^{-2}$)।
কোনো বস্তুকে স্থির তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত করলে বস্তুটির উপর তরল লম্বভাবে ঊর্ধ্বমুখী যে নেট বা লব্ধি বল প্রয়োগ করে, তাকে প্লবতা (Buoyancy) বলে।
চাপ = বল / ক্ষেত্রফল। বলের একক নিউটন ($N$) এবং ক্ষেত্রফলের একক বর্গমিটার ($m^2$) হওয়ায় চাপের একক হয় $\text{Nm}^{-2}$। অতএব, $1\text{ Pa} = 1\text{ Nm}^{-2}$।
কোনো তলের সমগ্র ক্ষেত্রফলের উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত মোট বলকে ধাক্কা (Thrust) বলা হয়। এটি মূলত চাপের কারণে সৃষ্ট মোট বল।
কোনো তলের উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত মোট বলকেই ধাক্কা (Thrust) বলে। যেহেতু ধাক্কা এক প্রকার বল, তাই এর আন্তর্জাতিক একক হলো 'নিউটন' ($N$)।
যেহেতু ধাক্কা এক প্রকার মোট বল, তাই এর মাত্রা বলের মাত্রার অনুরূপ অর্থাৎ $[MLT^{-2}]$।
প্যাসকেলের সূত্র ব্যবহার করে হাইড্রোলিক প্রেসের মাধ্যমে কম বল প্রয়োগ করে বেশি বল লাভ করা যায়, যা বল বৃদ্ধিকরণ নীতি নামে পরিচিত।
যদি কোনো বস্তুর ঘনত্ব তরলের ঘনত্বের চেয়ে কম হয়, তবে বস্তুটি তরলে আংশিক নিমজ্জিত অবস্থায় ভেসে থাকবে।
পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের জন্য $4^\circ\text{C}$ তাপমাত্রায় এর ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়। কেলভিন স্কেলে এই তাপমাত্রাটি হলো $273 + 4 = 277\text{ K}$।
বিশুদ্ধ পানির ক্ষেত্রে বরফের আপেক্ষিক গুরুত্ব অনুযায়ী বরফ খণ্ডের মোট আয়তনের $\frac{১১}{১২}$ অংশ পানির নিচে ডুবে থাকে এবং মাত্র $\frac{১}{১২}$ অংশ পানির উপরে ভেসে থাকে।
পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে $0^\circ\text{C}$ থেকে $4^\circ\text{C}$ পর্যন্ত তাপমাত্রায় পানির আয়তন কমে এবং ঘনত্ব বাড়তে থাকে। $4^\circ\text{C}$ তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়।
ফি: ফ্রি