Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে (SI) মৌলিক রাশি ৭টি। এগুলো হলো- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎ প্রবাহ, দীপন তীব্রতা ও পদার্থের পরিমাণ। 'তাপ' কোনো মৌলিক রাশি নয়, এটি হলো এক প্রকার শক্তি (তাপমাত্রা মৌলিক রাশি, কিন্তু তাপ লব্ধ বা শক্তির রূপান্তর)।
ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি (SI)-তে ভরের মূল বা মৌলিক একক হলো কিলোগ্রাম (kg)।
ব্যাখ্যা: কোনো পদার্থের পরমাণু, অণু বা আয়নের সংখ্যা পরিমাপের আন্তর্জাতিক (SI) একক হলো মোল (mole)।
ব্যাখ্যা: বইয়ের অপশনে ক-তে প্লাঙ্ক এবং গ-তে ম্যাক্স প্লাঙ্ক দেওয়া আছে, সবচেয়ে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ নাম হলো ম্যাক্স প্লাঙ্ক। ১৯০০ সালে তিনি কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রদান করেন।
ব্যাখ্যা: এটি মূলত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন এবং বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর যৌথ তত্ত্ব 'বসু-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান' (Bose-Einstein statistics) এর সাথে সম্পর্কিত ধারণা থেকে এসেছে।
ব্যাখ্যা: স্লাইড ক্যালিপার্সে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করে সুক্ষ্ম পরিমাপ করা হয় বলে একে 'ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স' বলা হয়।
ব্যাখ্যা: স্লাইড ক্যালিপার্সের চোয়াল ব্যবহার করে যেকোনো বেলন বা সিলিন্ডারের বাইরের ব্যাস, ভেতরের ব্যাস এবং ব্যাসার্ধ নিখুঁতভাবে মাপা যায়।
ব্যাখ্যা: খুব সরু তারের ব্যাস বা পাতলা পাতের পুরুত্ব পরিমাপের জন্য সবচেয়ে উপযোগী যন্ত্র হলো মাইক্রোমিটার স্ক্রু গজ।
ব্যাখ্যা: সাধারণ তুলাযন্ত্র দিয়ে বস্তুর 'ভর' মাপা হয়, কিন্তু স্প্রিং নিক্তির সাহায্যে অভিকর্ষজ বল বা বস্তুর 'ওজন' পরিমাপ করা হয়।
ব্যাখ্যা: CGS এর পূর্ণরূপ হলো Centimetre-Gram-Second। সুতরাং এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক হলো সেন্টিমিটার।
Advanced বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার ও এর আধুনিকায়ন করেন বিজ্ঞানী জেমস ওয়াট, যার ফলে শিল্পবিপ্লবের সূচনা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: প্লাটিনাম ধাতুর হিমাঙ্ক বা গলনাঙ্ক হলো $2042\text{ K}$ (কেলভিন)। সেলসিয়াসে হিসাব করলে এটি প্রায় $1768.3^\circ\text{C}$।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটল ধারণা দিয়েছিলেন যে মহাবিশ্বের সবকিছু মাটি, পানি, বায়ু ও আগুন—এই চারটি মৌলিক উপাদান দিয়ে তৈরি।
ব্যাখ্যা: আলোকবিদ্যার জনক ইবনুল হাইথাম (আল হাজেন) আলোর প্রতিসরণ নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
ব্যাখ্যা: ত্রয়োদশ শতকের ইংরেজ দার্শনিক রজার বেকন পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষামূলক আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রথম সূচনা বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
ব্যাখ্যা: খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দে গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস পদার্থের ক্ষুদ্রতম অবিভাজ্য কণার নাম দেন 'অ্যাটম' (Atom), যার অর্থ ভাঙা যায় না।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন গ্রীক গণিতবিদ ও দার্শনিক পীথাগোরাস বিশ্বাস করতেন যে মহাবিশ্বের ও মানুষের সবকিছুর মূলে রয়েছে সংখ্যা এবং তা গাণিতিক সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন গ্রীক জ্যোতির্বিদ আরিস্টার্কাস (Aristarchus) প্রথম সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দেন, তাই তাকে প্রাচীন পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিদ বলা হয়।
ব্যাখ্যা: ১৬৭৬ সালে ডেনিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ওলে রোমার (Ole Rømer) বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহ 'আয়ো'-এর গ্রহণ পর্যবেক্ষণ করে ইতিহাসের প্রথম সফলভাবে আলোর বেগ পরিমাপ করেন।
ব্যাখ্যা: পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা পরমাণুর আদি বা প্রাথমিক ধারণা প্রথম প্রদান করেন গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক প্লেটো বিশ্বাস করতেন যে চোখ থেকে আলো বের হয়ে বস্তুর ওপর পড়ে বলেই আমরা দেখতে পাই (পরবর্তীতে আল হাজেন এই ভুল ধারণাটি প্রমাণ সহ সংশোধন করেন)।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন গ্রীক গণিতবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী আর্কিমিডিস লিভারের গাণিতিক নীতি ও কার্যপদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় রসায়ন চর্চাকে 'অ্যালকেমি' (Alchemy) বলা হতো। এখান থেকেই আধুনিক কেমিস্ট্রি বা রসায়ন শব্দের উৎপত্তি।
ব্যাখ্যা: মুসলিম গণিতবিদ আল খোয়ারিজমি বীজগণিত (Algebra) এর মূল ভিত্তি স্থাপন করেন এবং ত্রিকোণমিতির উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখেন।
ব্যাখ্যা: বইয়ের উত্তর অনুযায়ী আল হাজেন সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের আদি রূপের উন্নয়ন ও আলোকবিদ্যায় এর মূল তত্ত্বের কাজ করেন।
ব্যাখ্যা: গণিতবিদ আল খোয়ারিজমি নবম শতকে এই বইটি রচনা করেন, যেখান থেকে আধুনিক 'অ্যালজেব্রা' (Algebra) শব্দের জন্ম।
ব্যাখ্যা: বিখ্যাত আরব ঐতিহাসিক ও ভূগোলবিদ আল মাসুদী সর্বপ্রথম পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রকৃতি ও এর বিস্তৃতি সম্পর্কে প্রাথমিক বৈজ্ঞানিক ধারণা দেন।
ব্যাখ্যা: ডাচ বিজ্ঞানী উইলেব্রোর্ড স্নেল (Snell) ১৬২১ সালে আলোর প্রতিসরণের বিখ্যাত সাইন সূত্র বা 'স্নেলের সূত্র' আবিষ্কার করেন।
ব্যাখ্যা: ইতালীয় বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলী পড়ন্ত বস্তুর বিখ্যাত ৩টি গতিসূত্র আবিষ্কার করেন।
ব্যাখ্যা: ১৬৮৭ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন তাঁর অমর গ্রন্থ 'প্রিন্সিপিয়া'-তে বিশ্ববিখ্যাত মহাকর্ষ সূত্র প্রকাশ করেন।
ব্যাখ্যা: জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল ধারণা প্রদান করায় তাঁকে এই তত্ত্বের জনক বা প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।
ব্যাখ্যা: রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও বিজ্ঞানী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি পাখিদের ওড়া পর্যবেক্ষণ করে প্রথম ওড়ার যন্ত্র বা অর্নিথপ্টারের খসড়া নকশা এঁকেছিলেন।
ব্যাখ্যা: বিখ্যাত প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ আর্যভট্ট পাই ($\pi$)-এর মান ৩.১৪১৬ বা ফ্রাকশনে $\frac{22}{7}$ ব্যবহারের নির্দেশ দেন।
ব্যাখ্যা: শূন্যস্থানে বা ভ্যাকুয়ামে আলো ১ সেকেন্ডের ২৯৯৭৯২৪৫৮ ভাগের এক ভাগে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে আন্তর্জাতিকভাবে ১ মিটার হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
ব্যাখ্যা: ১৯৬০ সালে ওজন ও পরিমাপ সংক্রান্ত একাদশ সাধারণ সম্মেলনে বিশ্বব্যাপী সব রাশির জন্য একই রকম একক বা SI পদ্ধতি (System International) চালুর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে ভার্নিয়ার ধ্রুবক $VC = 0.1\text{ mm} = 0.01\text{ cm}$। প্রধান স্কেল পাঠ $M = 4\text{ cm}$, সমপাতন $V = 7$। দণ্ডের মোট দৈর্ঘ্য = $M + (V \times VC) = 4 + (7 \times 0.01) = 4.07\text{ cm}$।
ব্যাখ্যা: ব্যাসার্ধ দিয়ে গোলকের আয়তনের সূত্র হলো $\frac{4}{3}\pi r^3$। যেহেতু ব্যাস $d = 2r$ বা $r = \frac{d}{2}$। সূত্রে $r$ এর মান বসালে পাই: $\frac{4}{3} \times \pi \times (\frac{d}{2})^3 = \frac{4}{3} \times \pi \times \frac{d^3}{8} = \frac{1}{6}\pi d^3$।
ব্যাখ্যা: সিলিন্ডারের আয়তনের মূল সূত্র $\pi r^2 L$। যেহেতু ব্যাসার্ধ $r = \frac{d}{2}$, তাই মান বসালে দাঁড়ায়: $\pi \times (\frac{d}{2})^2 \times L = \frac{1}{4}\pi d^2 L$।
ব্যাখ্যা: সময়ের সাথে বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলে। ত্বরণের একক হলো মিটার প্রতি বর্গসেকেন্ড বা $\text{ms}^{-2}$।
ব্যাখ্যা: কোনো গতিশীল বস্তু যদি একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর একই পথ দিয়ে নির্দিষ্ট বিন্দুকে একই দিক থেকে অতিক্রম করে, তবে সেই গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি বলে। ঘড়ির কাঁটার ঘূর্ণন এই নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলে।
ফি: ফ্রি