Finished . event 30 Nov, -0001 12:00 AM
ইংরেজি বর্ণমালার স্বাভাবিক ক্রম (A, B, C, D... J, K, L, M...) লক্ষ্য করলে দেখা যায়, L এর ঠিক আগের বা বাম পাশের অক্ষরটি হলো K।
এটি ইংরেজি বর্ণমালার বিজোড় অবস্থানের অক্ষরের একটি ধারা। এদের পজিশন হলো: \( A=1, C=3, E=5, G=7, I=9 \)। লক্ষ্য করলে দেখা যায় প্রতি পদে মান ২ করে বাড়ছে। সুতরাং পরবর্তী পদটি হবে \( 9 + 2 = 11 \) তম বর্ণ, যা হলো K।
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের 'ক' (১ম) থেকে শুরু করে ক্রমানুসারে গণনা করলে 'ল' অক্ষরের অবস্থান ঠিক ২৮তম স্থানে আসে। (ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি, য=২৬, র=২৭, ল=২৮)।
প্রদত্ত এলোমেলো অক্ষর 'ত, মা, জা, ই, না' গুলোকে সঠিক অর্থপূর্ণভাবে সাজালে 'নাতজামাই' শব্দটি তৈরি হয়।
প্রদত্ত অক্ষরগুলোকে সাজালে সঠিক অর্থপূর্ণ শব্দটি হয় 'উপনিবেশ'। বিকল্পগুলোর মধ্যে এই শব্দের অংশ হিসেবে 'নি' বর্ণটি রয়েছে।
বাম দিক থেকে ১২তম বর্ণের ডান দিকে যাওয়া মানে মান যোগ করা। অর্থাৎ, \( 12 + 8 = 20 \) তম বর্ণটি বের করতে হবে। ইংরেজি বর্ণমালার ২০তম বর্ণটি হলো T।
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রমে 'ম' হলো ২৫তম বর্ণ। প্রশ্ন অনুসারে, 'ম' এর আগের ৫ম বর্ণটি বের করতে হবে। অর্থাৎ, \( 25 - 5 = 20 \) তম বর্ণ। ব্যঞ্জনবর্ণের ২০তম বর্ণটি হলো 'ন' (ত-বর্গের শেষ বর্ণ)।
এখানে ইংরেজি বর্ণমালার স্বাভাবিক পজিশনের মান প্রকাশ করা হয়েছে। বর্ণমালায় M এর অবস্থান ১৩তম এবং O এর অবস্থান ১৫তম। অতএব, \( \text{M} + \text{O} = 13 + 15 = 28 \)।
'FRIENDSHIP' শব্দটির মধ্যে থাকা বর্ণগুলো হলো: F, R, I, E, N, D, S, H, P। এদেরকে যদি ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে (A থেকে Z) সাজানো হয়, তবে প্রথম বর্ণটি হবে 'D'। (বইয়ের মূল অপশনে 'E' ভুল উত্তর দেওয়া ছিল, সঠিক উত্তর হবে D)।
প্রদত্ত ধারাটি বাংলা স্বরবর্ণের বিজোড় স্থানীয় বর্ণসমূহের ধারা। ১ম বর্ণ=অ, ৩য়=ই, ৫ম=উ, ৭ম=ঋ। সেই লজিক অনুযায়ী পরবর্তী ৯ম বর্ণটি হবে 'ঐ'।
ব্যঞ্জনবর্ণের প্রথম ৩টি বর্গের (ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ) শেষ নাসিক্য বর্ণগুলো যথাক্রমে ঙ, ঞ, ণ। অতএব ধারাটির পরবর্তী বর্ণ হবে চতুর্থ বর্গের (ত-বর্গ) শেষ নাসিক্য বর্ণ 'ন'।
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণকে ৫টি করে সাজালে ৪ নম্বর লাইনে থাকে ত-বর্গ (ত, থ, দ, ধ, ন)। এখানে 'দ' বর্ণটি ৪র্থ লাইনের ৩য় অবস্থানে রয়েছে। (মূল বইয়ের অপশনে ভুলবশত '৪র্থ লাইনের ২য়' দেওয়া ছিল, যা সংশোধন করা হলো)।
ইংরেজি বর্ণমালার বাম দিক থেকে ১৮তম অক্ষরের বামে যাওয়া মানে বিয়োগ করা। অর্থাৎ, \( 18 - 10 = 8 \) তম অক্ষরটি বের করতে হবে। বাম দিক থেকে ৮ম অক্ষরটি হলো H।
এই ধারাটি ইংরেজি বর্ণমালার পিছনের দিক থেকে ২ ঘর করে কমছে: T(20) -> R(18) -> P(16) -> N(14) -> L(12)। তাহলে পরবর্তী দুটি পদ হবে: \( 12 - 2 = 10 \) (J) এবং \( 10 - 2 = 8 \) (H)।
এখানে প্রতি জোড়ার ১ম অক্ষর ২ ঘর করে বাড়ছে (A -> C -> E -> G)। অন্যদিকে ২য় অক্ষরটি শেষ দিক থেকে ২ ঘর করে কমছে (Z -> X -> V -> T)। সুতরাং সঠিক উত্তর GT।
ইংরেজি বর্ণমালায় মোট ২৬টি অক্ষর থাকে। সেখান থেকে 'M' বাদ দিলে মোট অক্ষরের সংখ্যা হয় ২৫টি। ২৫টি অক্ষরের ঠিক মাঝখানের অবস্থানটি হলো ১৩তম \( (\frac{25+1}{2} = 13) \)। M বাদ দেওয়ার পর প্রথম ১২টি অক্ষর অপরিবর্তিত থাকবে এবং ১৩তম অবস্থানে চলে আসবে স্বাভাবিক ক্রমের ১৪তম বর্ণটি, যা হলো N।
এই ধারাটিতে প্রতিটি অক্ষরের ব্যবধান ক্রমান্বয়ে ১ ঘর করে বাড়ছে: A থেকে C (+২), C থেকে F (+৩), F থেকে J (+৪), J থেকে O (+৫)। এই নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবধানটি হবে +৬। O এর মান ১৫ হলে পরবর্তী বর্ণটির মান হবে \( 15 + 6 = 21 \), যা ইংরেজি বর্ণমালার U অক্ষর।
এখানে বর্ণমালার শুরুর দিককার অবস্থানকে শেষ দিককার অবস্থানের সাথে বিপরীত কোড (Reverse Coding) করা হয়েছে। যেমন: G (শুরু থেকে ৭ম) = T (শেষ থেকে ৭ম), I (শুরু থেকে ৯ম) = R (শেষ থেকে ৯ম), এবং V (শেষ থেকে ৫ম) = E (শুরু থেকে ৫ম)। সুতরাং, GIVV = TREE।
এখানে বাংলা ও ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থানগত মানের গুণফল প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলা বর্ণমালায় 'চ' হলো ৬ষ্ঠ বর্ণ এবং ইংরেজি বর্ণমালায় 'G' হলো ৭ম বর্ণ। অতএব, \( 6 \times 7 = 42 \)। একই নিয়মে, ইংরেজি বর্ণমালার ১০ম বর্ণ হলো 'J' এবং বাংলা বর্ণমালার ১১তম বর্ণ হলো 'ট'। অতএব, \( 10 \times 11 = 110 \)।
এখানে প্রতিটি অক্ষরের আসল পজিশনের মানকে ২ দিয়ে গুণ করা হয়েছে। যেমন: A এর আসল মান ১, তাই \( 1 \times 2 = 2 \)। Z এর আসল মান ২৬, তাই \( 26 \times 2 = 52 \)। অতএব, \( \text{BAT} = (2 \times 2) + (1 \times 2) + (20 \times 2) = 4 + 2 + 40 = 46 \)।
ফি: ফ্রি