Finished . event 14 Jun, 2026 11:00 PM
১৯৬৯ সালে আর. এইচ. হুইটেকার জীবজগৎকে পাঁচটি রাজ্যে ভাগ করার প্রস্তাব দেন।
প্রোটিস্টা রাজ্যের জীবরা এককোষী বা কলোনিয়াল হলেও এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে।
উদ্ভিদ বা প্লান্টি রাজ্যের জীবেরা অতিরিক্ত খাদ্য স্টার্চ বা শ্বেতসার হিসেবে জমা রাখে।
অ্যানিম্যালিয়া রাজ্যের প্রাণীরা পরভোজী এবং অন্য জীবের ওপর খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল।
প্রোটিস্টা রাজ্যের প্রাণীরা এককোষী হওয়ায় এদের কোনো সুগঠিত টিস্যুতন্ত্র থাকে না।
জটিল কঠিন খাদ্য গ্রহণ ও হজম করার প্রক্রিয়াকে হোলজয়িক পুষ্টি বলে যা প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য।
স্লাইম মোল্ড অনেকটা ছত্রাকের মতো হলেও এদের কোষীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য প্রোটিস্টা রাজ্যে রাখা হয়েছে।
কার্ল ওয়োজ জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে জীবজগৎকে ৬টি রাজ্যে বিভক্ত করেন।
প্যারামেসিয়াম একটি এককোষী ইউক্যারিয়টিক জীব, তাই এটি প্রোটিস্টা রাজ্যের সদস্য।
অ্যামিবাসহ অনেক প্রোটিস্ট প্রতিকূল পরিবেশে সিস্টেম তৈরি করে টিকে থাকে।
উদ্ভিদ কোষের প্রাচীরের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথকে প্লাজমোডেসমাটা বলে যা পাশাপাশি কোষের যোগাযোগ রক্ষা করে।
ভাইরাস অকোষীয় হওয়ায় এটিকে পাঁচ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
ব্যাকটেরিয়া বা মনেরা রাজ্যের কোষে কোষঝিল্লি ভাঁজ হয়ে মেসোজোম গঠন করে যা শ্বসনে সাহায্য করে।
চ্যাপ্টা কৃমি বা প্লাটিহেলমিনথিস পর্বের প্রাণীদের বিশেষ রেচন অঙ্গ হলো শিখা কোষ।
আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের সন্ধিপদ থাকে এবং এটি প্রাণীজগতের সবচেয়ে বড় পর্ব।
ভ্রূণাবস্থায় বা আজীবন পৃষ্ঠীয় বরাবর স্থিতিস্থাপক দণ্ড বা নটোকর্ড থাকা কর্ডাটা পর্বের বৈশিষ্ট্য।
উভচর প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড দুটি অলিন্দ ও একটি নিলয় নিয়ে অর্থাৎ ৩টি প্রকোষ্ঠ নিয়ে গঠিত।
যাদের নটোকর্ড কশেরুকা বা মেরুদণ্ড দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয় তারা ভার্টিব্রাটা বা মেরুদণ্ডী।
নিডারিয়া পর্বের সাগর কুসুম বা সি-অ্যানিমনকে সমুদ্রের ফুল বলা হয়।
ল্যাম্প্রে বা হ্যাগফিশের কোনো আঁইশ থাকে না এবং ত্বক গ্রন্থিময় ও পিচ্ছিল।
এদের সাধারণত মুখ থাকে কিন্তু পায়ু ছিদ্র থাকে না, তাই একে অসম্পূর্ণ তন্ত্র বলে।
কর্ডাটাদের স্নায়ুরজ্জু দেহের পৃষ্ঠীয় বরাবর থাকে, যা পরে সুষুম্নাকাণ্ড গঠন করে।
উভচরদের হৃৎপিণ্ডে দুটি অলিন্দ এবং একটি নিলয় থাকে।
পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহে অসংখ্য সূক্ষ্ম ছিদ্র বা অস্টিয়া থাকে।
এদের দেহ মাছের মতো এবং নটোকর্ড মাথা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
অসংখ্য কশেরুকা থাকার কারণেই সাপ আঁকাবাঁকা হয়ে চলতে পারে।
এদের হিমোগ্লোবিনের মতো রঞ্জক রক্তরসে থাকে, কণিকায় নয়।
এই গহ্বরটি একই সাথে পরিপাক এবং সংবহনের কাজ করে।
এদের একটি মাত্র নাসারন্ধ্র থাকে যা সরাসরি গলবিলের সাথে যুক্ত থাকে।
এই রশ্মিগুলো ফুলকা চেম্বার খুলতে ও বন্ধ করতে সাহায্য করে।
ফি: ফ্রি