Finished . event 22 May, 2026 11:00 PM
১৮১৩ সালে তিনি তাঁর বইয়ে প্রথম 'Taxonomy' শব্দটি ব্যবহার করেন।
বেন্থাম ও হুকারের পদ্ধতিটি বিশ্বজুড়ে প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাসের মডেল।
Historia Plantarum উদ্ভিদবিদ্যার অন্যতম আদি গ্রন্থ।
প্রজাতি হলো শ্রেণিবিন্যাসের মৌলিক ও ক্ষুদ্রতম একক।
ফাইলোজেনেটিক পদ্ধতিতে তাঁরা একবীজপত্রীকে আদি এবং দ্বিবীজপত্রীকে উন্নত বলে গণ্য করেন।
২০১১ সালের মেলবোর্ন কংগ্রেসের পর থেকে একে 'ICN for algae, fungi, and plants' বলা হয়।
প্রথম পদটি (গণ) বিশেষ্য এবং দ্বিতীয় পদটি (প্রজাতি) সাধারণত বিশেষণ হয়।
সাতটি ধাপকে ধাপে ধাপে সাজানোকে হায়ারার্কি বলে।
এই সুুইডিশ প্রকৃতিবিদকে আধুনিক ট্যাক্সোনমির প্রাণপুরুষ বলা হয়।
জগত বা কিংডম হলো সবচাইতে বড় ট্যাক্সোনমিক স্তর।
যেমন: Solanaceae, Poaceae।
আদি বা অনুন্নত গুণগুলোকে Primitive বলা হয়।
আন্তর্জাতিক বোটানিক্যাল কংগ্রেসের মাধ্যমে এর নিয়মাবলি নিয়ন্ত্রিত হয়।
বিবর্তন তত্ত্ব প্রকাশের পর বিবর্তনীয় সম্পর্ক বুঝতে এই পদ্ধতি শুরু হয়।
তিনি পুংকেশরের সংখ্যা ও অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে ২৪টি শ্রেণি করেন।
কিংডম বা জগতে জীবের সংখ্যা বিশাল হলেও তাদের মধ্যে সাধারণ মিল সবচাইতে কম থাকে।
যেমন- ক্যাটুলা ক্যাটুলা। আইসিবিএন (ICBN) উদ্ভিদের ক্ষেত্রে টটনিম সমর্থন করে না।
থ্যালামিফ্লোরি হলো এই পদ্ধতির অন্যতম আদি সিরিজ।
বৈধ নামকরণের জন্য বর্ণনা ও প্রকাশনা উভয়ই প্রয়োজন।
লিনিয়াসের 'Species Plantarum' প্রকাশের তারিখ থেকে এটি কার্যকর।
গ্যামোফেটালি মানে হলো যুক্ত দলমণ্ডল বিশিষ্ট উদ্ভিদ।
অর্কিডকে তাঁরা একবীজপত্রীর সবচাইতে উন্নত ফ্যামিলি মনে করতেন।
ব্রিটিশ হার্বেরিয়াম পদ্ধতির প্রভাবে ভারতীয় উপমহাদেশে এটি প্রচলিত।
প্রতি ৬ বছর অন্তর আন্তর্জাতিক বোটানিক্যাল কংগ্রেস (IBC) অনুষ্ঠিত হয়।
ওমেগা ট্যাক্সোনমিতে সব ধরণের তথ্য (ডিএনএ, এনজাইম) ব্যবহার করা হয়।
হোমোনিম বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং আইনত অবৈধ।
এগুলো হলো প্রচলিত নাম (Alternative names) যা এখনও বৈধ বলে গণ্য করা হয়।
বইটি মূলত নয়টি খণ্ড বা অধ্যায়ে বিভক্ত ছিল।
এটি দ্বিপদ নামকরণের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক নিয়ম।
টাইপ মেথডের একটি বিশেষ ধরণ হলো সিনটাইপ।
ফি: ফ্রি