Finished . event 28 Apr, 2026 07:00 PM
ফুলের পাপড়ি ও গাজরের মূলে রঙিন ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে।
গলজি বডি থেকে আসা ভেসিকলগুলো মিলিত হয়ে কোষ প্লেট গঠন করে।
১৯৪৫ সালে পোর্টার, ক্লড ও ফুলম্যান এটি আবিষ্কার করেন।
প্রতি ঘূর্ণনে ১০ জোড়া বেস থাকে এবং গড় বন্ড সংখ্যা ২৫।
গলজি বডি শর্করা ও এনজাইমের প্যাকেজিং ও ক্ষরণ করে।
গ্রানাম অংশে সালোকসংশ্লেষণের আলোক বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
একটি বড় এবং একটি ছোট সাব-ইউনিট নিয়ে রাইবোসোম গঠিত।
হৃদপিণ্ডের কোষে বিরতিহীন কাজের জন্য প্রচুর মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে।
শাখাযুক্ত বা শাখাহীন অনিয়মিত নালিকাগুলোকে টিউবিউলস বলে।
ক্রোমোজোমের প্রায় অর্ধেক অংশই ডিএনএ এবং বাকি অর্ধেক প্রোটিন।
নিজস্ব ডিএনএ থাকায় এটি নিজের প্রয়োজনীয় কিছু প্রোটিন নিজেই তৈরি করতে পারে।
G এবং C সবসময় তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধন দিয়ে একে অপরকে ধরে রাখে।
সেন্ট্রোমিয়ার একদম মাঝখানে থাকলে তাকে মেটাসেন্ট্রিক বলে।
আরএনএ পলিমারেজ এনজাইম আরএনএ সংশ্লেষণে সাহায্য করে।
থায়ামিন সবসময় অ্যাডিনিনের সাথে যুক্ত হয়।
আলোক পর্যায়ে সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তি (ATP) হিসেবে জমা হয়।
নিউক্লিয়ার আবরণী লিপোপ্রোটিন দিয়ে তৈরি।
অক্সিজেন ব্যবহার করে শক্তি তৈরির প্রক্রিয়াটি অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন।
রাইবোসোম কোষের প্রোটিন সংশ্লেষণের প্রধান স্থান, তাই একে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলে।
গলগি বডি কোষের নিঃসরণ এবং বস্তুর পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করে বলে একে ট্রাফিক পুলিশ বলে।
নিউক্লিয়াস কোষের যাবতীয় জৈবিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।
ডিএনএ (DNA) হলো বংশগতির প্রকৃত রাসায়নিক উপাদান।
লাইসোজোম এনজাইমের সাহায্যে নিজ কোষকে ধ্বংস করতে পারে বলে একে আত্মঘাতী থলিকা বলে।
ক্রোমোজোমে জিনের নির্দিষ্ট অবস্থানকে লোকাস বলা হয়।
সেন্ট্রোমিয়ার হলো ক্রোমোজোমের প্রাথমিক কুঞ্চন অঞ্চল যা দুই বাহুকে যুক্ত রাখে।
নিউক্লিয়াসে DNA এর ছাঁচ ব্যবহার করে mRNA তৈরির প্রক্রিয়া হলো ট্রান্সক্রিপশন।
মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টে আদি কোষের মতো ৭০ এস রাইবোসোম বিদ্যমান।
গলগি বডির ক্ষুদ্র গোলাকার থলি সদৃশ অংশগুলোকে ভেসিকল বলা হয়।
নিউক্লিওলাস মূলত রাইবোসোমাল RNA (rRNA) তৈরির কেন্দ্র।
DNA হেলিক্সের পূর্ণ একটি ঘূর্ণনের দৈর্ঘ্য ৩৪ এংস্ট্রম।
ফি: ফ্রি