Finished . event 17 Apr, 2026 07:00 PM
প্রিয়ন মস্তিষ্কের নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার বা CJD সৃষ্টি করে।
Tobacco Mosaic Virus একটি দণ্ডাকার ভাইরাস।
যেসব ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ ও ধ্বংস করে তাদের ব্যাকটেরিওফাজ বলে।
মাইকোপ্লাজমাকে একসময় PPLO নামে ডাকা হতো।
ব্যাকটেরিয়ার মূল ক্রোমোজোম বাদে অতিরিক্ত বৃত্তাকার DNA হলো প্লাজমিড।
প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত অ্যান্টিবায়োটিকের ৭০ শতাংশের বেশি আসে অ্যাক্টিনোমাইসিটিস থেকে।
পিলি ব্যাকটেরিয়াকে অন্য কোনো বস্তুর সাথে আটকে থাকতে বা DNA স্থানান্তরে সাহায্য করে।
N-acetylmuramic acid ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের একটি প্রধান অংশ।
অ্যাজোটোব্যাকটর মাটি থেকে সরাসরি নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে।
রিকেটসিয়া আকারে ভাইরাসের মতো কিন্তু এদের বিপাক ক্ষমতা ব্যাকটেরিয়ার মতো।
ব্যাকটেরিয়া গ্লাইকোজেন ও ভলুটিন গ্রানিউল হিসেবে খাদ্য জমা রাখে।
তামাকের মোজাইক ভাইরাসে জেনেটিক বস্তু হিসেবে RNA থাকে।
ভাইরয়েড হলো শুধুমাত্র নগ্ন RNA অণু।
গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া সেফ্রানিন রঞ্জক গ্রহণ করে লাল রঙ দেখায়।
ভাইরয়েড একটি ক্ষুদ্র বৃত্তাকার RNA লুপ।
গিমসা বা গিমেনিজ পদ্ধতিতে রিকেটসিয়াকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
১৮৯২ সালে দিমিত্রি আইভানোভস্কি তামাকের মোজাইক ভাইরাস (TMV) আবিষ্কার করেন।
HIV-এর মতো রেট্রোভাইরাস এই এনজাইম ব্যবহার করে হোস্ট কোষে নিজের তথ্য কপি করে।
ভাইরাস প্রথমে হোস্ট কোষের গ্রাহক সাইটে সংযুক্ত হয়।
W.M. Stanley সর্বপ্রথম TMV-কে কেলাসিত (Crystalized) করতে সক্ষম হন।
নতুন ভাইরাস তৈরির পর হোস্ট কোষ ফেটে যায় এবং ভাইরাস বের হয়ে আসে।
ভাইরাস DNA হোস্ট DNA-র সাথে যুক্ত হয়ে প্রোফায গঠন করে।
Coliphage হলো এক ধরণের ভাইরাস যা কোলন ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে।
খুব দ্রুত সময়ে ভাইরাস কয়েকশ বংশধর তৈরি করতে পারে।
কলা গাছের মাথায় পাতার গুচ্ছ তৈরি হওয়া একটি ভাইরাসজনিত রোগ।
কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী ভাইরাসটি একটি একসূত্রক RNA ভাইরাস।
ধারণা করা হয় ভাইরাস কোষীয় জীব থেকে সরল হয়ে এই অবস্থায় এসেছে।
সংক্রমণের পর হোস্ট কোষ থেকে প্রচুর সংখ্যক নতুন ভিরিওন নির্গত হয়।
অধিকাংশ ভাইরাস নির্দিষ্ট কিছু প্রজাতির কোষেই কেবল বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
ভাইরাস প্রথমে লাগে, তারপর ঢোকে, জিনিসপত্র বানায় এবং শেষে বেরিয়ে যায়।
এদের ক্যাপসিডের বাইরে কোনো লিপিড আবরণ থাকে না।
RNA বা রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড যুক্ত ভাইরাসকে রাইবোভাইরাস বলে।
এই ধাপে ভাইরাসের বিভিন্ন অংশ জোড়া লেগে নতুন ভিরিয়ন তৈরি হয়।
এই এনজাইম ব্যবহার করে ভাইরাস কোষে প্রবেশ করে এবং বের হয়।
রাসায়নিক বা অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাবে নিষ্ক্রিয় ভাইরাস সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।
ফি: ফ্রি